''এই ছেলে কি করছ এখানে।''
ছেলেটি একটু চমকে উঠেছে এখানে সে কাউকে আশা করেনি এতরাতে। লোকটি কোথা থেকে এসে তাকে বিরক্ত করছে।
''কিছু না। আপনি কি করছেন।''
''আমি এই পথ ধরেই যাচ্ছিলাম, দেখলাম তুমি গাছে দরি বাধার চেষ্টা করছ। তাই ভাবলাম তোমাকে একটু সাহায্য করি।''
''ঠাট্টা করছেন।''
''নাহ!''
''তাহলে এখান থেকে বিদায় হোন।''
লোকটি চুপ করে থাকল। রাফি এতক্ষনে দরি বেধে ফেলেছে। সে আবার পিছন দিকে তাকিয়ে লোকটিকে দেখে অশান্ত চোখে তাকাল।
'' আপনি এখনও যাচ্ছেন না কেন?''
''শোন, বাবা আমি একদিন তোমারই মত ভুল করতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পরে বুঝতে পারি কত বড় ভুল করতে বসেছিলাম। তোমার বাবা খুবই ভাল একজন মানুষ। তার ছেলে হয়ে তুমি এমন কাজ কেন করছ।''
'' আপনি আমার বাবাকে চেনেন। তিনি মোটেই ভাল না। আমি সামান্য একটা ভুল করেছি। তা তিনি মেনে নিতে চাচ্ছেন না।''
'' তুমি তোমার বাবা-মায়ের কথা অমান্য করেছো। তাই তারা অভিমান করেছে। তুমি এখন তোমার স্ত্রীকে নিয়ে তাদের সামনে যাও।দেখবে ঠিকই তারা মেনে নিবেন।তাছাড়া তুমি এখন একজনের বর। তোমার স্ত্রীর প্রতিও তো তোমার কর্তব্য আছে। তুমি মারা গেলে তার কি হবে ভেবেছো।''
রাফি কিছুক্ষন চিন্তার মধ্যে ডুবে গেল।
''আচ্ছা, আপনি এতকিছু জানলেন কি করে।''
তিনি প্রশ্নের উত্তরটি এরিয়ে গেলেন।
'' তোমার বাবাকে আমার কথা বলবে। সে চিনতে পারবে। বলবে জাকির নামে কাউকে চিনে কিনা।''
রাফি তার মাথা উপর-নিচ করল।
'' চল তোমাকে তোমার বাড়ি পৌছে দেই।''
'' না না চাচা আপনাকে কষ্ট করতে হবে না। আমি একাই যাবো। আর আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমি আসলেই একটা বড় ভুল করতে যাচ্ছিলাম।''
লোকটি তার পথে চলে গেল। রাফি তার পথে কিছুক্ষন চেয়ে রইল। তারপর নিজের বাড়ির দিকে রওনা হল।
বাড়ি পৌছালে রাফির বাবা-মা কান্না-কাটি শুরু করে দিল। রাফি বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চাইল।
''তুই তোর বউকে কালই বাড়ি নিয়ে আসবি।''
''ঠিক আছে বাবা।''
''আচ্ছা বাবা জাকির নামে কাউকে চিনো।''
'' ওহ! জাকির, আমার বন্ধু ছিল। খুব ভাল লোক ছিল। কিন্তু ও যে এমন একটা কাজ করবে কেউ কি ভাবতে পেরেছে। ''
'' কেন বাবা তিনি কি করেছেন।''
''আত্মহত্যা''

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


