বাংলাদেশের যত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও তাদের দর্শক ধারণক্ষমতাঃ
১। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা – ৩৬ হাজার
২। এম এ আজিজ স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম – ৩০ হাজার
৩। শেরে বাংলা ন্যাশনাল স্টেডিয়াম, ঢাকা – ২৬ হাজার
৪। খান সাহেব ওসমানী স্টেডিয়াম, নারায়ণগঞ্জ – ২২ হাজার
৫। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম – ২০ হাজার
৬। শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, বগুড়া – ১৮ হাজার
৭। শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা – ১৩ হাজার
৮। সিলেট ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম, সিলেট - ২২ হাজার
এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে ২০০৫ সাল থেকে আর ক্রিকেট হয়না। অবশ্য এবছরের বিপিএলের কিছু ম্যাচ এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে হয়েছিল কিন্তু সেটাও জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংস্কার কাজের জন্য খেলার অনুপযুক্ত ছিল বলে। আর বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে ২০০৬ সালের পর থেকে কোন এক অজানা কারণে আর আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়না।
বাংলাদেশের মানুষের ক্রিকেট উন্মাদনার পরিপ্রেক্ষিতে এদেশের স্টেডিয়ামগুলোর দর্শক ধারণক্ষমতা অনেক কমই বলতে হয়। গত-কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের ম্যাচের সময় টিকেটের যে হাহাকার দেখা যায় তাতেই বোঝা যায় চাহিদা আর সরবরাহের মাঝে বিশাল ঘাটতি। এটা অবশ্য ঠিক যে টিকেটের হাহাকারের জন্য টিকেট কালোবাজারি অনেকাংশে দায়ী, কিন্তু তারপরেও দর্শকের চাহিদার অনুপাতে স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যা কম একথা অস্বীকার করা যাবেনা।
তাই বিসিবির উচিৎ অতিদ্রুত দেশের স্টেডিয়ামগুলোর আসন সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করা। প্রায় সবগুলো স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যা ৫০ হাজারের কাছাকাছি এবং বিশেষ করে মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটের আসন সংখ্যা ৬০ হাজারের আশেপাশে হওয়া দরকার। হ্যাঁ, অনেকে বলবেন এত-বেশী আসন বাড়ালে টেস্ট ম্যাচে গ্যালারী ফাঁকা পড়ে থাকবে, আমি বলব টেস্টেও টাইগারদের পারফর্মেন্সের গ্রাফ যেভাবে উপরের দিকে উঠছে তাতে টেস্ট ম্যাচে গ্যালারী ফাঁকা থাকার দিন শেষ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



