গতকাল কবিগুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৪ তম জন্মদিন পালন হল । একজন মহান কবি প্রতিভা হিসেবে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমার কোন আপত্তি নেই । কিন্তু একজন ব্যক্তি ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আমাকে অনেক ভাবতে হয় । কারন আমি সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছায়াঢাকা ক্যাম্পাসে নিয়মিত হাটি যাকে মক্কা বিশ্ববিদ্যালয় বলে উপহাস করা হয়েছে । কৃষকের জন্য আবার বিশ্ববিদ্যালয় !!! আর সেই বিরোধিতার সভায় সভাপতিত্ব করেছেন ব্যক্তি মি. ঠাকুর ।
১৯০৫ সালে যখন আমার ঢাকা নতুন করে রাজধানীর মর্যদা পেল, তখন তিনি সহ হিন্দু নেতারা মাতৃভাগের নামে হুংকার দিয়েছিলেন, এবং বঙ্গভঙ্গ রদ করতে ইংরেজদেরকে বাধ্য করেছিলেন ।
ব্যক্তি রবিন্দ্রনাথকে একজন হিন্দু নেতা থেকে আলাদা করটা অনেক কঠিন হয়ে গেছে । প্রথম জীবনে তিনি অসম্প্রদায়িক মানবতাবাদের কথা বললেও দেশ ভাগের সময় আবার ঠিকই হিন্দু নেতার ভুমিকায় অবতীর্ন হলেন । তাই তার জন্মদিন উৎযাপন করার ব্যাপারে আমার আগ্রহে কমতি আছে ।
আজ যারা বাংলাদেশে বসে রবি ঠাকুরের জয়গান গাইছে, তারা আমার কাছে আত্মপরিচয়হীন অবচেতন সম্প্রদায় । অথবা অনেক বিরাট উদার মনের অধিকারী । জানিনা তারা কোনটা ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




