আজ ভয়াল সেই ৫ই মে! সেদিন ঘটেছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নেক্কার জনক ঘটনা। যা বাংলাদেশের জনগণ এমনকি বিশ্ববাসি ও ভুলতে পারবে না। হেফাজতে ইসলাম ও সরকারের মধ্যে যে ধন্ধ/সংঘর্ষ বেঁধে ছিল তা রুপ নিয়েছিল এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে। এবং হতাহত হয় অসংখ্য লোক। যার প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে ও আছে বিভিন্ন রকম তথ্য। যা আমরা সবাই জানি, এর কোনো সঠিক তথ্য সরকার বা হেফাজতে ইসলাম আজ ও দিতে পারেনি। সেদিন আন্দোলনকারী আর সরকারী বাহীনির সংঘর্ষে রেহাই পায়নি সাধারণ জনগন এমনকি মিডিয়া কর্মীরাও। সংঘর্ষ এতোটাই লোমহর্ষক হয়েছিল যে সরকার বাধ্য হয়েছে লাইভ টেলিকাষ্ট/সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করতে, শুধু তাই নয় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও, যা আজ ও খুলে দেয়নি সরকার।
এই ঘটনায় বিস্মিত হয়েছিল পুরো বিশ্ব মিডিয়া, প্রচার করেছিল তা অত্যান্ত গুরুত্ব সহাকারে। এবং পরে আসল ঘটনা কি হয়েছিল তা জানতে চেয়েছিল তা সরকারের কাছে, বিষেশ করে একটাই প্রশ্ন ছিল বিশ্ব মিডিয়ার যে "কেন রাতের আলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল আর সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছিল।" কি ঘটেছিল রাতের অন্ধকারে? হয়তো অনন্ত কাল ধরে এই প্রশ্ন আমাদের সবার মনেই থেকে যাবে।
চলুন দেখি সেই ভয়াল সেই ৫ই মে!-এর রক্তক্ষয়ি যুদ্ধের কিছু ছবি আর ভিডিও...
কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন
"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন