তুই
কেমন এক
নদী হয়ে আমায়
সমুদ্রে ভাসালি আকুল!
বিছিয়ে ঢেউ, কামনার সাম্পান
তোর আকাশী শাড়িতে পাল উড়িয়ে,
হতে ইচ্ছে করল শিউলী-শেফালী মেঘ!
তারার খোঁপায় সাজাতে জোনাকীর ঝাউবন,
দিতে এক টিপ- গোধূলি কপালে ঠিক
বহু দিন পরে- বঁধুয়া নাইয়র চাঁদ!
রাঁধা পূর্নিমায় কৃষ্ণ কলঙ্ক চোখে তুই,
বাঁশির সুরে মেখে নিলি সর্বনাশী কাজল।
তুই কেমন এক অসহ্য আগুন হয়ে জ্বলে উঠলি-
মৃত্যুর অমোঘ নেশায় মাতাল পতঙ্গের উত্তেজনায়,
আমি ছুটে গেলাম ইস্পাত প্রেমে বজ্রের মত,
দয়িতার পানে মেঘদূত কবিতার মত
অসীমের পানে দিগন্তের মত
জলের স্বপ্নে চাতকের মত!
জ্বললাম বাসনার বারুদে,
ডুবলাম যাতনার লাভায়
ভাসলাম কামনার ঢেউয়ে,
তোর উত্তাপে পুড়ে পুড়ে পুড়ে
নক্ষত্রের মত এক আলো হয়ে উঠলাম!
তীরের মত করে একটা ম্যাচের কাঠি ছুঁড়ে,
আমারও জ্বালিয়ে দিতে ইচ্ছে হল
তোর যত অনন্ত অগ্নিকুন্ড!
সেই আগুনে ছাই হয়ে
তুই হবি আমার সেই-
ছেলেবেলার সুখী ফিনিক্স,
যাকে স্বপ্ন দেখে আমি প্রতি ভোরে,
ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠতাম,
পাশ থেকে মা উঠে,
ঠিক তোর মত করে,
জড়িয়ে ধরে বলে উঠতেন-
এই তো আমি! এই তো আমি! এই তো আমি!
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৮:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




