অন্য সবগুলো শব্দ এবং কথা Constant ধরে, শুধুমাত্র "মেয়েদের কাপড়" এবং "ছেলেদের চরিত্র" এই ২টি শব্দকে Variable ধরলে, যে ব্যাপারটা এখানে বলা যায়, তা হল, "মেয়েদের কাপড়" এবং "ছেলেদের চরিত্র" একে অন্যের বিকল্প বা পরিপূরক হাওয়া সমীচীন না।
এ ২ টো শব্দ থাকবে পাশাপাশি। তাহলে আর কোন সমস্যা থাকার কথা না।...
আমাদের গোড়াতেই সমস্যা, এ সমস্যার পিছনে আমাদের সমাজের ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা স্ট্যাইক-হোল্ডার দায়ী।
মানুষের অপরাধ প্রবণতা হল প্রকৃতিগত।এটা কন্ট্রোল করা আর না করার মধ্য দিয়েই মানুষ এবং অমানুষ দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায়।
আমরা আমাদের শালীনতার ব্যাপারে আমাদের ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন বা কাছের মানুষদের কতটুকো উৎসাহিত করছি বা কিভাবে উৎসাহিত করছি?
পদ্ধতিগত কোন ভুল আছে কিনা?
এখনি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। নতুবা আগামী হাজার কোটি বছরেও আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন হবে না।
এভাবেই চলবে।....
অনেকে বলে মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে।
মানসিকতার পরিবর্তন কি বললেই হল!!!
মানসিকতা হল মানুষের মনুষ্যত্বের সর্বচ্ছো আউট-পুট।
বললে তো একটা কথা খুব খারাপ শুনাবে, তাও একটু করে বলি, আমাদের সমস্যা হল, আমরা আমাদের নোংরা মানসিকতার পরিচায়ক হিসেবে, যেখানে যা দিয়ে সুবিধা পাওয়া যাবে সেটা ব্যবহার করি (ছেলে এবং মেয়ে ২ জনের ক্ষেতেই) । কখনো আমরা মানসিক এবং শারীরিক বেহায়াপনা প্রকাশ করতে ভাল লাগে,
আবার ধর্মীয় লেবাস ধরতে ভাল লাগে। ঘরের বউ, বোন এবং মাকে বোরখা পরিয়ে রাখতে পছন্দ করি। আর বাহিরে এসেই, অন্য সব মেয়েমানুষকে লালসার পাত্রী হিসেবে ভাবতে পছন্দ করি।
আমার কথা হচ্ছে, এ ২ টি ব্যাপার যদি একসাথে চলে তাহলে এ সমস্যার সমাধান কখনোই সম্ভব নয়। এটা থাকবেই। কোন বাপের বেটা বেটি এটা বন্ধ করতে পারবে না।
এখন আমাদের এখান থেকে যে কোন একটা ব্যাপার বেচে নিতে হবে।
হয় নোংরামি নতুবা ধর্মীয় অনুশাসন।
তাহলে কোন একটা সময় এসে এটার একটা সাম্য অবস্থা ফিরে আসবে।
হয়তো সৌদিআরব এর মত ধর্মীয় অনুশাসন মেনে নেয়া কোন দেশ হবে, নতুবা পশ্চাতের কোন একটা সভ্য দেশের মত হবে। কারণ তারা নোংরামি করতে করতে কোন একটা সময় সাম্য অবস্থায় পৌঁছেছে।...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


