নাটকের মুখ্য চরিত্রে মোশাররফ করিমের ঠোঁটে উচ্চারিত একটি সংলাপ-‘সৌদি আরব যায় ফকিন্নির পোলারা, আমি কি ফকিন্নির পোলা নি ?’ এই সংলাপে প্রবাসীদের হেয় করা হয়েছে। এতে প্রবাসীরা এই নাট্য নির্মাতা ও অভিনেতা মোশাররফ করিমের উপর দারুন ভাবে চটেছে। চটার কথা। বাংলাদেশে ভালো লেখক ও নির্মাতার অভাব সে বহুকাল আগে থেকে। যার দরুন নকল আর ভাঁড়ামির উপর বেঁচে আছে এই নাট্য জগতটি।মোশাররফ করিম ও নাট্য জগতের এক ভাঁড়।তাই বলে এদেশে একেবারে ভালো নাটক
হচ্ছেনা তা’না। কিছু কিছু পরিচালক ও কিছু কিছু চ্যানেল ভালো নাটক বানাচ্ছে। যে কোন ভালো পরিচালক/ অভিনেতা নাটকের প্লট, গল্প ও সংলাপ ভালো করে দেখেন। যাতে ঐ নাটকে দেশ, সমাজ, রাষ্ট্র ও কোন জনগোষ্ঠীর উপর কোন ধরনের আঘাত না আসে। নাটক সমাজের দর্পন। কিন্তু যারা নাটক/ সিনেমা বানাচ্ছেন তারা এই বিষয়টা কতোটুক মনে রাখছেন। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দুটি খাত -১, রেমিটেন্স ও ২, পোশাক শিল্প। প্রবাসীদের রেমিটেন্সে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মুলে যাদের অবদান শীর্ষে,
তাদেরকে নিয়ে যারা ব্যাঙ্গ- বিদ্রূপ করে তারা আর যাইহোক দেশ প্রেমিকের সংজ্ঞায় পড়েনা।একজন লেখককে অনেক বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হয়।এই নাটকের সংলাপ যেই লিখেছে সে কোন কারনে প্রবাসীদের উপর ক্ষুদ্ধ নতুবা সে কোন লেখক ও না। এক সময়ে যার রিকশায় চড়ার মুরোদ ছিলোনা সেই মুশাররফ করিম এখন নিজের গাড়ি ব্যাবহার করছেন। এই ধরনের লোকেরা কি জানেনা ‘ফকিন্নির পোলারা’ রিকশায় চড়ার ক্ষমতা রাখেনা, অথচ প্রবাসীরা বিমানে চড়ে বিদেশে আসে।
আজ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে লক্ষ লক্ষ প্রবাসী। এদের মাঝে শুধু শ্রমিক না, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট সহ আরও বহু সন্মানী পদে নিয়োজিত লোক আছেন। তারা কি তবে সবাই ফকিন্নির পোলা ? আমরা প্রবাসীরা এই নাটকের পরিচালক, স্ক্রিপ্ট রাইটার সহ মুশাররফ করিম ও প্রযোজককে প্রবাসীদের নিকট প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা করার দাবী জানাচ্ছি। আর এই ধরনের নাটক নির্মান থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


