“স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন!”
এই কথাগুলো আমরা সবাই জানি। কিন্তু মানতে পারি কি?
কিছু মানুষ দেখলাম, ভারচুয়াল ফ্রেন্ডশিপ কথাটার মানেটাকে বদলে ফেলছে খুবই ধীরে-সুস্থে, ভাল কথা; আমার তাতে কোন আপত্তি নেই। কিছু মেয়ে, এই ছেলেকে নক করছে, ওই ছেলেকে নক করছে তার সাথে ফ্রেন্ডশীপ করার জন্য; এতেও আমার কোন আপত্তি নেই। আপত্তি তখনই, যখন তারা গণহারে ছেলেদের সাথে ভাব জমাতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছে, আর তারপর পৃথিবীর সমস্ত ছেলেদেরকেই দোষারোপ করছে। যেন, সব ছেলেরাই তাকে বেইজ্জতি করেছে। কেন? বন্ধু নির্বাচনে কি একটু সতর্ক হওয়া যায় না? কিছু নরম্যাল ফ্যাক্ট মেনে চললেই একটা মানুষ সম্পর্কে মোটামুটি কিছু আইডিয়া পাওয়া যায়।
এবার আসি ছেলেদের কথায় (এটা বলতে নিজেও বিব্রত হচ্ছি, আফটার অল আমিও তো একজন ছেলে)। গ্রুপে এলো, কিছু মেয়েদের পোস্টে বা কমেন্টে লাইক দিয়ে তাদের সাথে ভাব জমানোর চেষ্টা, মোটেও বন্ধুত্বপূর্ণ নয়, সম্পর্কে জড়ানোর জন্য। একদিন দেখা যায়, হয়তো সত্যি সত্যিই কোন মেয়েকে পটানো গেছে। তারপর তার সাথে দেখা, কথা বলা, পার্কে ঘুরতে যাওয়া। তিনদিন পর সেই মেয়ের নাম শুনলেই অাঁতকে উঠা। যেন, ওই মেয়ের থেকে খারাপ কোন মেয়েই পৃথিবীতে হয় না!
এইবার মূলকথাঃ কেন? তুমি যা রক্ষা করতে পারবেনা কেন তাঁর জন্য হাঁ-হুতাশ করা? আগে না হয় নিজের ওজনটুকু বোঝ? তারপর অন্যকারো ওজন পরিমাপের চেষ্টা করো। প্রেম-ভালোবাসা-সম্পর্ক এসব ছেলেখেলা নয়, নিজের বিবেকটাকে জাগ্রত কর। একজন রিক্সাওয়ালারও তিন-চারটা স্ত্রী থাকে, কিন্তু সেই রিক্সাওয়ালার বিবেক থাকেনা। একজন মেথরিনীর ও একাধিক স্বামী থাকে, কিন্তু সেই মেথরিনীর বিবেক থাকেনা। তোমাদেরও যদি একই অবস্থা হয়, তাহলে তোমরা কিভাবে আধুনিক হলে? কিজন্য লেখাপড়া শিখলে?
যদি বিবেকের কাছে কোন দায় না থাকে, তাহলে কাল থেকেই নিজের বাবা-মা, ভাই-বোনকেও সম্পর্কে জড়াও; আশা করি তাতেও তোমার বিবেক কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



