somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পরোটা খাবার পাল্লা..

০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের এল এল. বি শেষ। তার পরও যেনো আমাদের ছেলেমানুষি পিছু ছাড়ে না। তার একটা উৎক্রিষ্ট উদাহরন আপনাদের দিচ্ছি আজ।
আমরা ৫ বন্ধু প্রায় সবসময় একসাথে থাকি। ১ জন ছাড়া সবারই বাড়ি আমাদের কুষ্টিয়া শহরেই। আজ হঠাৎ ঘুরতে ঘুরতে চলে গেলাম মোল্লাতাগোরিয়া। ওখানে ব্রিজের উপর বসে থাকতে থাকতে প্রায় ঝিম ধরার অবস্থা। পাসেই ছিলো বিখ্যাত ভুপেন মামার দোকান । উনার দোকানের পরটা আর মাংশ খুবই মজাদার। কি একটা মনে করে আমি সবাইকে বল্লাম চল আজ আমরা মামার দোকানের পরটা আর মাংশ খাই। এতে সবাই রাজি হল। সবাই সিদ্ধান্ত নিলাম সন্ধার পর আমরা মামার দোকানে ধুকবো উদর পুর্তি করতে। তাই আমাদের আড্ডা চলতে থাকে। আড্ডার এক থাকে হঠাৎ আমাকে প্রস্তাব করে বসে যে, যদি আমি ৭ টা পরটা মাংশ দিয়ে খেতে পারি তাহলে আমার আর বিল দেওয়া লাগবে না । ( এখানে বলে রাখা ভালো ভুপেন মামার পরটা কুষ্টয়ার অন্য যে কোন পরটার থেকে ২/৩ গুন বড়)। তাই আমি ওকে বল্লাম যদি ৫ টা হয় তাহলে আমি পারবো। এতেই ও রাজি হয়ে গেলো । একথা শুনে ইউসুফকে রাবভী বল্ল ইউসুফ যদি ১০ টা পরটা আর ২ পেলেট নিহারী খেতে পারে তাহলে ওর বিল রাবভী দিবে। ( আবার বলে রাখা ভাল আমি হচ্ছি অনেক মোটা আর ইউসুফ হচ্ছে তালপাতার সেপাহি)। তারপরও বুজতে পারলাম না ও কি ভাবে ১০ টা পরটা খাবার চ্যালেন্জ গ্রহন করলো??
যাক, খাওয়া শুরু হল মাংশ আর পরটা। ৩.৫ টা পরটা খাবার পর আমার অবস্থা তো ..... সেই রকম। কোন রকম একটা মাইনটেন ডিউ গিলে তবেই রক্ষা। আগামী কাল আমাদের 'তালপাতার সেপাহি' ইউসুফ ১০ টা পরটা আর ২ পেলেট নিহরী খাবে .... হয়তো ও পারবে। কারন, আমি ও সাথে একদি খেয়ে বুঝতে পেরে উঠি নাই ও কিভাবে ওতো খায়, ওর পেটে বা জায়গা টা কোথায়????
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫৫
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩

যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?

আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কটা দুলাল

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১



বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×