

বিষয়: বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত।
ভূমিকা: আমার মতে রাউটার এর হচ্ছে উন্নত সংস্করন। মানে আপডেড ভার্সন। আগে টেলিফোন দিয়ে শুধু কথা বলা যেত। এবং ইহা ছিল ব্যায়বহুল। আর বর্তমানে রাউটার/ইন্টারনেট হচ্ছে তুলনামূলক ভাবে সস্তা।
যা বলতে চাই: সিটিসেল ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে বিটিআরসি থেকে মোবাইল ফোন প্রবর্তনার জন্য তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বরাদ্দ লাভ করে। তখন থেকে সিটিসেল বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ-এর মোবাইল সেবা প্রধানকারী অপারেটর হিসেবে ২০১৬ পর্যন্ত সেবা দেয়। এরা যে প্রযুক্তি দিয়ে সেবা দিতো সেটা হচ্ছে সিডিএমএ। আর এর সিম; সিম ছিলো না। এই সিডিএমএ প্রযুক্তি তে সিম কে রিম বলা হতো। আর সিটিসেল ছাড়া বাদ বাকি সবাই জিএসএম প্রযুক্তি এর মাধ্যমে সেবা দিতো।
আর এই সিডিএমএ প্রযুক্তি এর জন্য সিটিসেল এর রিম কার্ড অন্য কোন সেট এ কাজ করতো না।
সিটিসেল এর আগে টেলিফোন মারফত অনেকে যোগাযোগ করিতেন। এই টেলিফোন এমপি, মন্ত্রী, সরকারি অফিস, বড়লোক ব্যাবসায়ীদের বাসায় এই টেলিফোন থাকিতো।
২০০১ সাল পযর্ন্ত মোবাইল সেট একটি স্ট্যাটাস বহন করিতেন। যার কাছে মোবাইল থাকিতো তার দিকে আঙ্গুল তুলে বলিতো “ঐ দেখো বড়লোক যায়।”
Wi-Fi এর বিস্তার: ২০০৯ সালে আমাদের প্রাণ প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ কে ডিজিটাল বাংলাদেশ করার উদ্যোগ নেয়। যখন ২০১৩ সালে প্রায় সকল কম্পানী থ্রি জি পায় আর এবং পাবলিক এর কাছে থ্রি জি মোবাইল এসে পড়ে। এই ২০১৩ সালে সকল জেলা ব্রডবেন্ড বিস্তার লাভ করে।
আমি এই ওয়াই-ফাই প্রথম চিনি নোয়াখালী এর "সৈকত কম্পিউটার" এর দোকানে। আমাদের এলাকাতে ২০১৬ সালে ব্রডব্যান্ড এসে পড়ে। আমি ২০১৯ সালে জানুযারিতে নানার বাসাতে ওয়াই-ফাই নিছিলাম। কারন আমি তখন অর্নাস পড়ি নানা বাসা থেকে।
তখন এই গ্রামে আমি প্রথম এই ওয়াই ফাই নেই।

আজ ২৫-০৯-২০২১ রাত ৯টা ৪৭ মিনিট এ বলতাছি। আজকে দেখলাম। গ্রামের একটু ভিতরে পযর্ন্ত ব্রডভেন্ড ইন্টারনেট এর লাইন গেছে। যা আমার কাছে খুব ভালো লাগলো।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




