
২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময় হিটলার অনেক ইহুদীদের হত্যা করে। এবং কিছু ইহুদী কে ছেড়ে দেয়। এবং এই ব্যাপরে হিটলার বলে “আমি কেন ইহুদী মেরেছি, তা জানানোর জন্য কিছু ইহুদী ছেড়ে দিলাম।”
এখন। হিটলারের অত্যাচারের আতঙ্কে অনেক ইহুদী জার্মান ছেড়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রে চলে যায়। কিন্তু কোন রাষ্ট্র তাদের আশ্রয় দিতে চাচ্ছিলো না। শুধু ফিলিস্তীনি তাদের আশ্রয় দেয়। পরে ইহুদী ছলনা করে ইজরাইল ও ফিলিস্তীনি দুইটা রাষ্ট্র ভাগ করে। যেমনটি পাহাড়ি অঞ্চলের কুকি চীন নামক জঙ্গী সংগঠন করার চেষ্টা করছে। এই কুকি চীন নিয়ে কোন ব্লগারদের কোন প্রতিক্রিয়া দেখলাম না।
ইহুদীরা দেশ ভাগ করেই শান্ত হয়নি। বরং ফিলিস্তীনিদের উপর রকেট হামলা, অবৈধ অনুপ্রবেশ করে সম্পদ লুট করা, ফিলিস্তীনি নারীদের ধর্ষন করা ছিলো ইজরাইলদের কাজ। এমনও একটি ভিডিও দেখা যায় যেখানে এক ই্জরাইলের সৈন্য ফিলিস্তীনের গর্বভতী নারীর পেট কেটে সন্তান বাহির করে। এবং সন্তান ও মা দুইজনকেই হত্যা করে। তখন কেন নারী সংগঠন চুপ থাকে? মুসলিম নারী কি নারী না?
এখন ফিলিস্তীনি তারা তাদের ভূখন্ড কিভাবে রক্ষা করবে এটা তাদের ব্যাপার। এটা চিন্তা করে আমার রাগ ওঠে যে “স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তীনিদের কিছু কিছু ব্লগার জঙ্গী বলে আখ্যা দিচ্ছে।”
বরং এখানে ফিলিস্তীনি ভিকটিম। এতেই বুঝা যায় যে সবাই শক্তের ভক্ত নরমের যম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



