
শহিদুল একজন ব্যাবসায়ী। তার স্ত্রী বায়না করেছে তাকে একটা দামী শাড়ি কিনে দিতে হবে। শুধু স্ত্রীকে দিলেই হবে না তার শ্যালীও দামী কাপড়ের বায়না ধরছে। দুই সন্তান, স্ত্রী, শ্যালিকা, পিতা মাতা সবাই কে ঈদে কাপড় দেওয়টা মোট লাখ খানিক খরচ। তার মধ্যে ঈদের দিন আবার শ্যালিকা ও পিচ্ছিদের ঈদের সেলামি দিতে হবে। এত সব চিন্তা করে তিনি তার দোকানের সব পন্যের দাম বাড়িয়ে দিলেন। এমনটিই আমরা মনে করি।
আসল ঘটনা হচ্ছে রমজান মাসে আমাদের চাহিদা বেড়ে যায়। মনে করেন ১৬ কোটি জনগণ আছে আমাদের। এর মধ্য ৬ কোটি লোক দুই বেলা না খেয়ে থাকে। রমজান মাসে মুসলিমগণ শুধু নিজে খায় না, অপরকেও খাওয়ানোর চেষ্টা করে। ১০ কোটি লোক চেষ্টা করে ৬ কোটি লোকদের নিয়ে ভালো মন্দ খাওয়ার। এখন ৬ কোটি লোকের বাড়তির চাহিদার ঠেলা পড়ে বাজারে। বাজারে মালের চাহিদা ১০ কোটি লোকের। সেখানে ১৬ কোটির জগণের তিন বেলা খাবারের যোগান দিতে পারে না।
আবার মনে করেন চিনি, বেশন, বেগুন, ছোলা ইত্যাদি অন্যান সময়ে চাহিদা থাকে না। রমজান মাসে ইফতারির সময় লেবুর শরবত, ছোলা ও বেগুনী থাকে। আপনি ইফতারি ছাড়া আর কখন শরবত থেয়েছেন? রোজা ছাড়া আপনারা কখনো শরবত খান নি। কালভদ্রে একবার থেয়েছেন। তাও আবার কারো বাসায় বেড়াতে যাবার পর। এখন ইফতারি তে জনগন নিয়মিত শরবত খায়। এতে স্বাভাবিক চাহিদা থেকে একটু বেশী চিনি লাগে। চিনির কিন্তু সেই ৫ কেজি সাপ্লাই আছে। কিন্তু চাহিদা ৭ কেজি।
এখন সরকার যদি ১০ কেজি চিনি বাজারে সাপ্লাই দিতো তাহলে কিন্তু চিনির দাম এমনেই কমে যায়। সুতরাং চাহিদা মাফিক পন্যের সাপ্লাই দিতে হবে। দরকার হলে বিদেশ থেকে পন্য আমদানী করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



