
আমার বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবী। বর্তমানে তাঁর পোস্টিং লক্ষ্মীপুর জেলায়। লক্ষ্মীপুরে বাবার সরকারি কোয়ার্টার থেকে আমার ভোটার সেন্টারের দূরত্ব প্রায় ১৫৯ কিলোমিটার। আপাতত নির্বাচন উপলক্ষে গ্রামে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা আমার নেই।
গ্রামে যেতে হলে একবারের বাস ভাড়াই প্রায় ৫৫০ টাকা লাগে। শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার জন্য এতটা খরচ করাকে আমার কাছে বুদ্ধিমানের কাজ মনে হয়নি। তাছাড়া বর্তমানে গ্রামে আমার নানা-নানী, মামা-মামী কেউই থাকেন না। সেখানে গেলে রান্না করে খাওয়ানোর মতো আপনজনও নেই—এই বাস্তবতাটাও ভাবতে হয়।
আমার শ্বশুরবাড়ি নানার বাড়ির পাশের ইউনিয়ন, বাউশিয়া ইউনিয়নে। শ্বশুরবাড়ি থেকে আমার ভোটার সেন্টারের দূরত্ব প্রায় ৪ কিলোমিটার। শ্বশুরবাড়ি যেতে বাস ভাড়া ৫৫০ টাকা, এরপর ভোটার সেন্টারে যেতে রিকশা ভাড়া আরও ১০০ টাকা—সব মিলিয়ে এই অতিরিক্ত ব্যয়ও আমার কাছে যুক্তিসংগত মনে হয়নি।
এই সব বাস্তব পরিস্থিতির কারণে এবারের নির্বাচনে আমার ভোট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ভোট দিতে না পারার বিষয়টি আমাকে সত্যিই কষ্ট দিচ্ছে, কারণ একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ভোট দেওয়াকে আমি সবসময় নিজের দায়িত্ব হিসেবেই মনে করি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




