সরদারজি গেছেন পতাকা কিনতে। সরদারজি বললেন, 'আমাকে একটা বড় পতাকা দিন তো। আজ তো ক্রিকেট ম্যাচ আছে, পতাকা নিয়ে মাঠে যাব।'
দোকানদার পতাকা দেখালেন। সরদারজিও বেশ কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে পরখ করলেন। অতঃপর বললেন, 'কাপড়টা তো ভালোই, অন্য কোনো রং হবে?'
পতাকা জিনিসটাকে যারা শুধু এক টুকরো কাপড় মনে করেন, তাদের কাছে নিজ দেশের পতাকা এবং অন্য দেশের পতাকার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। তাই তারা সস্তা ফুটবল আবেগের বহিঃপ্রকাশ অন্য দেশের পতাকা উড়িয়ে করতেই পারেন।
এতে যদি কেউ বাধা দেয় , কেউ যদি জাতীয়
পতাকার অবমাননা হচ্ছে ভেবে জাতীয় পতাকা আইনের কথা বলে, তাহলে তাকে অবশ্যই গালি প্রদান করতে হবে।
যশোরের জেলা প্রশাসকের কুশপুত্তলিকা দাহ করতে হবে। এদেশের ফুটবল প্রেমীদের আবেগের বহিঃপ্রকাশে বাধা দান করেছেন। এই রকম গুরুতর অপরাধ গত কয়েক দশকে কেউ করেছে কিনা তাতে সন্দেহ আছে। কিন্তু আফসোসের বিষয়, এ রকম অপরাধীর সংখ্যাটা এদেশে অনেক কম।
আপনি কোন দেশের ফুটবল পছন্দ করেন ,
তাহলে সে দেশের জার্সি পড়ে আপনার আবেগ প্রকাশ করুন। আপনার আবেগ যখন পতাকায় চলে যায় তখনই সমস্যা। কারণ আপনার অতি আবেগের ভিন্ন দেশের পতাকার ভীড়ে এই দেশের লাল সবুজ পতাকাটিকে একটি মাস মাথা নিচু করে থাকতে হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



