মানবতার কষ্ট::
রাস্তা দিয়ে হাটতে গেলে যখন দেখি রাস্তায় ধুলোয় বসে আছে শীর্ণদেহের ক্ষুধার্তঅপুষ্টির শিকার একটি শিশু; অজান্তেই মন খারাপ হয়ে উঠে। ইচ্ছে করে ওদের সব কষ্ট ভূলিয়ে দিই, এবং আনন্দে পরিণত করি আমার কষ্টগুলোকে। কিন্তু পারি না। কারন সাধ অনেক, কিন্তু সাধ্য সীমিত। এই সীমিত সাধ্যের সীমাবদ্ধতা যেন বাড়িয়ে দিচ্ছে আমার কষ্টের পরিধি।
80 বছরের যে বৃদ্ধের এখন ঘরে বসে বিশ্রাম করা বা নাতি পুতের সাথে খেলা করার কথা ছিল, তাকে যখন দেখি জীবিকার প্রয়োজনে ঠেলা চালাতে বা পায়ের পেশী টান করে রিক্সার প্যাডেল চাপতে, ব্যাথা অনুভত হয় হৃদয়ে; এটা কি ধরনের কষ্ট?
এটাকে যে আমি আর কোন কষ্টের সাথে মিলাতে পারিনা!!!
ভালোবাসার কষ্ট::
ভালোবাসা, কখনো জ্ঞাতে বা কখনো অজ্ঞাতে সৃষ্টি হয়ে যায়। যখন আমার ভালোবাসার কথা মনে হয়, দপ করে প্রজ্জ্বলিত হয় কষ্টের মোমবাতিটি।
আমার কষ্ট হতো না, যদি আমি বাস্তবতাকে বিসর্জন দিয়ে আবেগকে মাথায় তুলে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে যাত্রা করতাম। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী কষ্ট থেকে ক্ষণস্থায়ী কষ্টটাই ভালো। আর সে কারনেই, আমি আমার ভালোবাসা প্রকাশ করিনি। কারন আমি প্রতিষ্ঠিত হবার আগে আমার ভালোবাসার বিয়ে হয়ে যাবে। আমার সাথে সাথে ভালোবাসার মানুষটিও কষ্ট পাক, তাতো আমি হতে দিতে পারিনা!!!!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



