চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলে এসে এখানকার ছাত্রদের বিলাসিতা দেখে চমকে উঠেছিলাম!
না, এ কোন সাধারণ বিলাসিতা নয়, নামকরন নিয়ে বিলাসিতা!
প্রথম ব্লকের নীচ তলায় 10টি রুমেরই অদ্ভুদ নামকরন করেছে সেখানকার বাসিন্দারা।
101- যন্ত্রনা বিলাস। যেন যন্ত্রনা কাতর সবাই। তবে তাদের দেখে কিন্তু এটা মনে হয় না। আর এটাই মনে হয় সবচেয়ে ব্যস্ত রুম।
102- সৈকত বিলাস। নিঃসন্দেহে বলা যায় সাগর প্রেমীদের বসবাস।
103- দূঃখ বিলাস।যদিও তারা দুঃখী; তবে তাদের পাশেই আছে বিপরীত সূখীদের রোমটা। কারন-
104- সূখী বিলাস।
105- রসনা বিলাস।নাম দেখেই মনে হচ্ছে উনারা খেতে ভালোবাসেন, আসলেও কিন্তু তাই।
এর পরই আছে এই ব্লকের বাথরুম ও টয়লেট। বিলাস ব্লকের বাসিন্দারা এরও যুৎসই নাম দিতে ভুল করেনি। তারা বাথরুমের নাম দিয়েছে 'ভাবনা বিলাস'।
106- আনন্দ বিলাস।নামেই বুঝা যায় এরা আনন্দে থাকে সব সময়, কিন্থু আননোদর সাথে কষ্টের সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় পাশের রুমের নাম-
107- কষ্ট বিলাস।
108- তন্দ্রা বিলাস। খুব সম্ভবত ঘুম কাতুরে কারো দেওয়া নামটি।
109- রোমানস বিলাস। নামে যদিও রোমানস আছে, তবে বাস্তবে এর অধিবাসীদের আদৌ প্রেম হয়েছে কিনা সন্দেহ আছে।
110- বাগান বিলাস। সব শেষের এ রুম বাসিরা আসলেই বৃক্ষ প্রেমিক। তাইতো নামেই এর প্রতিফলন ঘটেছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



