জাত্রফা গাছের মূল আবাসস্থল কোথায় তা এখনো জানা যায়নি। তবে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন মেক্সিকো বা মধ্য আমেরিকার কোন স্থানই এর আদি আবাস। বর্তমানে এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিয়মিত চাষাবাদ হচ্ছে। বৃষ্টিবহুল এলাকায় ভালো জন্মে এ গাছ। শীতকালে ফল ধরে জাত্রফার। থোকা থোকা ফল সবুজ থেকে আসত্দে আসত্দে হলুদ রং ধারণ করে ফল পেকে যায়। এই ফল থেকে যে বীজ হয় তা থেকে বিশেষ উপায়ে বের করা হয় তেল। আর সেই তেলই ডিজেল বা হাই সালফার অয়েল হিসাবে কাজ করে। এই ডিজেলের নাম দেয়া হয়েছে বায়ো ফুয়েল। এ পর্যনত্দ পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিশ্বের 21টি দেশে বায়ো ফুয়েলের উৎপাদন হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাশর্্ববতর্ী দেশ ভারতে এখন বাণিজ্যিকভাবে জাত্রফা থেকে বায়ো ডিজেল তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেখানে প্রতি লিটার বায়ো ডিজেলের উৎপাদন খরচ হচ্ছে বাংলাদেশী মুদ্রায় 25 টাকা। বিভিন্ন ধরনের ট্যাক্স ধরে প্রতি লিটারের মূল্য হচ্ছে 32 টাকা। জাত্রফা থেকে বায়ো ডিজেল উৎপাদনে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ইন্দোনেশিয়া। সেখানে সরকারিভাবে বায়ো ফুয়েল উৎপাদন চলছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশের বৃষ্টিবহুল এলাকা চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহের পাহাড় অঞ্চলে জাত্রফা গাছের চাষ করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে আজ 13 জুলাই জ্বালানি বিভাগ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ও সংশিস্নষ্ট সকলকে নিয়ে এক সভায় বিসত্দারিত আলোচনা হবে।
ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 13.07.2006ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




