সুপারি রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব এ খাত থেকে। ইতিমধ্যে সুপারি রপ্তানিও হচ্ছে। তবে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে এ খাতের রপ্তানিকারকরা। সম্প্রতি ভারতীয় শুল্ক কতর্ৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে সুপারি রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের অসহযোগিতার কারণে পেট্রাপোল বন্দরে প্রায় 7 হাজার মেট্রিকটন সুপারি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। 2001 সাল থেকে বাংলাদেশের বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সুপারি ও লবঙ্গ রপ্তানি হয়ে আসছে। গত বছরের অক্টোবর মাসে ভারতীয় শুল্ক কতর্ৃপক্ষ সুপারির উপর 25 ভাগ ক্যাশ সিকিউরিটি বিধান চাপিয়ে দেয়। এরপরও সুপারি রপ্তানি হয়ে আসছিল। সাফটা চুক্তির ফলে সুপারির ক্ষেত্রে এতোদিন 60 শতাংশ শুল্ক সুবিধা ছিল। কিন্তু সম্প্রতি এর উপর এসেসেবল ভ্যালু বাড়িয়ে 320 মার্কিন ডলার থেকে 500 ডলার করা হয়। ভারতীয় কতর্ৃপক্ষ সাফটা চুক্তিও মানছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা ভারতের আমদানিকারকদের নির্দেশ দিয়েছে সুপারি আমদানির ক্ষেত্রে শতভাগ শুল্ক দেয়ার। এটা সাফটা চুক্তির লঙ্ঘন। সাফটা অনুযায়ী শুল্ক কতর্ৃপক্ষের শর্তহীন আমদানি পণ্য গ্রহণ করার কথা। বাংলাদেশের সুপারি ব্যবাসয়ীরা জানিয়েছে ভারতীয় কতর্ৃপক্ষের শর্তারোপের কারণে গত এক মাসে 600 মেট্রিনটন সুপারি পেট্রাপোল বন্দরে পড়ে আছে। শুধু সুপারি নয়, অনেক পচনশীল পণ্যই এভাবে ভারতের স্থলবন্দরে ফেলে রাখার কারণে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
ঃঃ দৈনিক ইতেফাক ঃ 05.04.2006 ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




