somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পশ্চিম সীমান্তে বিএসএফের হিংস্র কর্মকাণ্ডে অধিবাসীদের মধ্যে আতংক

০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশের পশ্চিম সীমান্ত অধিবাসীদের মধ্যে নতুন করে বিএসএফের বেপরোয়া কর্মকান্ডে উত্তেজনা ও আতংক বিরাজ করছে। গতকাল বুধবার মহেশপুর সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে বিএসএফ সেখানকার অধিবাসীদের উপর চড়াও হলে ধাওয়া খেয়ে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার পর এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এমনিতেই বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তবতর্ী এলাকায় বিএসএফের হিংস্র তৎপরতা ক্রমে বেড়েই চলেছে। নানান উস্কানির পাশাপাশি সীমান্তের অধিবাসীদের উপর তাদের নির্বিচার গুলিবর্ষণ, অপহরণ, নির্যাতন যেন এক নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গেছে, বুধবার সকালে বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্তের মহেশপুর থানার জলুনী সীমান্তে লেবুতলা গ্রামের মধ্যে এক বিএসএফ সদস্য ঢুকে পড়ে লোকজনের উপর চড়াও হয়। তাকে চ্যালেঞ্জ করলে বিএসএফ সদস্য তাদের ওপর গুলিবর্ষণের হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাকে ধাওয়া করলে সে অস্ত্র ও গুলি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকে পশ্চিম সীমান্ত এলাকাজুড়ে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিজ নিজ পাশে শক্তি বৃদ্ধি করে। একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ সীমান্তের সর্বত্র বাংলাদেশীদের উপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালাচ্ছে সমানে। তারা সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় কৃষক, দিন মজুর কিংবা জেলেদের দেখলে হামলা চালায়। অনেক ক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালিয়ে পাখির মত হত্যা করে। কখনো বা তাদের ধরে নিয়ে অমানসিক শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। আমাদের সীমানার মধ্যে গুলিতে কোন বাংলাদেশীকে হত্যা করলে টেনে-হিঁচড়ে লাশ সীমান্তের ওপারে নিয়ে বিএসএফ প্রমাণের চেষ্টা করে যে, সে (নিহত ব্যক্তি) তাদের সীমানার মধ্যে গিয়েছিল অবৈধভাবে। এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গত তিন সপ্তাহে বিএসএফের গুলিতে সীমান্তে অন্তত 20 জন বাংলাদেশী নিহত হয়েছে। এ সময় সমানসংখ্যক ব্যক্তি আহত ও অপহরণের শিকার হয়েছে। এমন বেপরোয়া আচরণের মুখে পড়ে সীমান্তবাসীদের দিন-রাত কাটে আতংক আর উৎকণ্ঠায়।

ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 05.05.2006 ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘স্বর্ণামতি সেতু’ থেকে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯



আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে গেছে। তার একটা আদুরে নাম আছে, ‘স্বর্ণামতি’। কে, কবে, কেন নদীটির এ নাম দিয়েছে, তা আমার অজানা। তবে নামটি আমার খুবই প্রিয়। এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষড়যন্ত্রঋতু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:২৯

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সারাবছরই ঐক্যের ঋতু, এখানে রাজনীতিতে শত্রু না থাকলে মিত্র টেকে না। যতদিন হাসিনা ছিল, স্বাধীনতাবিরোধীরা ছিল একটি সুখী পরিবার। বাম জানত ডানকে ঘৃণা করতে হয়, কিন্তু আপাতত স্থগিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার পছন্দের বাংলা গানগুলো

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১১


অনেকদিনের ইচ্ছে পছন্দের বেশকিছু গান নিয়ে একটা পোস্ট দেব। দেওয়া হয়নি, কারণ, বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। আজ হুট করে বসেই পড়লাম। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি, লালনগীতিসহ নানান ধরনের গানের একটা তালিকা করছি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি টুপ করে চলে আসবো

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৯


আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×