দেশে চরমপন্থী বা সন্ত্রাসী সংগঠন থেকে থাকে এবং তাদের তালিকা করা হয় তাহলে তালিকায় প্রথম স্থানটি পাবে বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্রলীগ৷ অন্যান্য সন্ত্রাসী সংগঠন গোপনে বা আড়ালে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ছাত্রলীগ প্রকাশ্যে এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে কখনও তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহারসহ তাদের সন্ত্রাসী তান্ডব চালায়৷
গুম, খুন, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি থেকে শুরু করে অপরাধ জগতের এমন কোন শাখা নাই যা ছাত্রলীগের যেখানে ছাত্রলীগের বিচরন নাই৷ অন্যান্য সন্ত্রাসী সংগঠন নির্দিষ্ট কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলেও ছাত্রলীগ সব ধরনের অপরাধ সংঘটনে পারদর্শী৷ এরা সম্পুর্ন আদর্শহীন দেশের একমাত্র বৈধ সন্ত্রাসী সংগঠন!
ছাত্রলীগ তাদের নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থে শুধু বিপক্ষ দলের নেতাকর্মীই হত্যা করে না৷ এরা নিজ স্বার্থ উদ্ধারে নিজদলের নেতাকর্মীকেও প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করে৷
এরকম কোন সন্ত্রাসী সংগঠন কিভাবে কোন রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করে এটাই অবাক ব্যাপার! এদের থেকেই যে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী উঠে আসে তারা নেতা হয়ে দেশ কেমন চলতে পারে তা অনুমান করা কষ্টসাধ্য নয়৷
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ভাগবাটোয়ারা করার সুবিধার কথা চিন্তা করে সম্পুর্ন গায়ের জোরে নিজেদের ইচ্ছামতো সেখানে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা করেছে৷ আর সেখানেও নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারায় ঝামেলায় হওয়ায় আজ প্রাণ দিতে হল মইনুল নামক এক ছাত্রলীগ নেতাকে৷
এদের জন্যই ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাস, খুন, ধর্ষণ চরমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ যাদের মধ্যে ন্যূনতম নৈতিকতা বোধ রয়েছে তারা কখনও এই সন্ত্রাসী সংগঠন করা তো দুরের কথা সমর্থনও করতে পারে না৷

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




