বিদেশ যেতে ঢাকায় এসে বাস পোড়ানোর অভিযোগে কারাগারে গিয়েছেন মিজান নামের এক দরিদ্র ব্যক্তি। ১৭ জানুয়ারি ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়ে ১৮ জানুয়ারি ওমান পৌঁছানোর কথা তার। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে গিয়ে তার কার্ডের নম্বরসহ সত্যতা যাছাই করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
১৪ জানুয়ারি ঢাকার গুলিস্তানে যান শীতের কাপড় কিনতে। ওই দিন দুপুরে গুলিস্তানে দুর্বৃত্তরা একটি বাসে আগুন দেয় ও ককটেল হামলা চালায়। ওই সময় আশপাশের অন্যদের সঙ্গে মিজানও ভয়ে দৌড় দেন। হামলাকারী সন্দেহে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশকে নিজের অবস্থান খুলে বলেন মিজান। তার পরও তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে তুলে দেয় পুলিশ। আদালত তাঁকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
সরকার নাকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দেখা মাত্র গুলি করার নির্দেশ দিতে যাচ্ছে। এই নির্দেশটা আরও কয়েকদিন আগে হলে মিজান নিশ্চয়ই জীবিত অবস্থায় কারাগারে না গিয়ে লাশ হিসেবে তার পরিবারের কাছে ফেরত যেত। এমনকি তার পরিবার লাশটিও পেত না।
দেশে এই অস্থিতিশীলতার আসল কারণের সমাধান না করে জোর করে কোন সমাধান আদায় করতে গেলে সেটা কতটা ভয়াবহ হতে পারে সেটা আমরা গত এক দেড় বছর যাবত বুঝতে পারছি। হয়ত সরকারী বাহিনী দিয়ে পরিস্থিতির সাময়িক সমাধান পাওয়া যাচ্ছে। তবে এতে নিয়মিতই হতাহতের সংখ্যা শুধু বাড়ছে। আর কিছু দিন থেমে থেকে থেকে আবার পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।
দেশ ও জনগণের স্বার্থে উভয় পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে যত দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে সমর্থ হবে ততই দেশের মঙ্গল বয়ে আনবে। আমাদের উভয় পক্ষের রাজনৈতিক নেতাদের সুমতি হউক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

