আমাদের জাতির জনকের কন্যা কেন যে তিনি পিতার তরিকায় যাচ্ছেন না বুঝে পাই না৷ আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন বিজ্ঞ ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ৷ তিনি তার শাসনামলের শেষ দিকে আওয়ামী লীগ বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশালী শাসনতন্ত্র কায়েম করেছিলেন যেখানে এক দেশ, এক দল, এক নেতা নীতি গ্রহণ করে তিনিই একক ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করেছিলেন৷
বঙ্গবন্ধুর এই নীতিটির কারণে দেশ নির্বাচন নামক ঝামেলা থেকে মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল৷ অবশ্য অল্প সময়ের ব্যবধানে এই মহান নেতা পরপারে পাড়ি জমানোতে তার গঠিত বাকশাল টিকেনি৷ বর্তমানে বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেমন বিএনপির আন্দোলনকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জনসম্পৃক্ততা নাই বলেন, বঙ্গবন্ধুর মিলাদেও নাকি তেমনি দশজন মানুষ উপস্থিত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল৷ আসলে তিনি যে অজনপ্রিয় ছিলেন তা নয়, প্রাণভয়ে কেউ আসতে চায়নি৷ যেমনটি বিএনপির আন্দোলনে দেখা গেছে৷
নির্বাচনে দেশে প্রচুর খরচ৷ এই খরচ এড়ানোর অভিনব কৌশল গ্রহণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান৷ আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেহেতু পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ সেহেতু নির্বাচনী খরচ এড়িয়ে সেটা দেশের ও দলীয় উন্নয়নে ব্যবহার করতে পারেন৷ আমরা নির্বাচনের ফলাফল সেহেতু আগের থেকে জানতে পারছি সেহেতু নির্বাচনের কোন কার্যকারিতা থাকার কথা নয়৷
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যুর পর সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এতটাই ভর করেছিল যে প্রকাশ্যে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করার সাহসও হারিয়ে ফেলেছিল৷ গুম, খুন হওয়ার ভয় থাকলেও এখনও অনেকে বিএনপির নাম প্রকাশ্যে নিতে পারছে৷ এজন্য বিএনপি সমর্থকদের অবশ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত৷
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উচিত পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে একদেশ, একদল, একনীতি গ্রহণ করে দেশকে নির্বাচনী খরচ থেকে মুক্তি দেওয়া৷ কারণ বলা তো যায় না নির্বাচন হতে হতে কোন কারণে বা বিদেশী চাপের ফলে নির্বাচনী ফলাফল বিএনপির পক্ষে যায় তাহলে বিএনপিপন্থীরা তো এখনও দলের হয়ে কথা বলতে পারছে কিন্তু আওয়ামী লীগের সমর্থকরা আওয়ামী লীগ শব্দদুটি মুখে উচ্চারণ করার লোক পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে৷

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


