অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখল করা মারাত্মক অপরাধ৷ অবৈধভাবে কেউ ব্যক্তিগত কিছু করলে সে বা তার আশপাশের কিছু মানুষ ভুক্তভোগী হয়৷ কিন্তু রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করলে পুরো দেশটাই অ্যাফেক্টেড হয়৷
অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখল করা কোনো রাষ্ট্রপতি অবসরভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা পাবেন না। এমন বিধান রেখে নতুন আইন করতে যাচ্ছে সরকার, যা আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী বাতিল করে ২০১০ সালে হাইকোর্টের রায়ে খন্দকার মোশতাক আহমেদ, আবু সা’দাত মোহাম্মদ সায়েম ও জিয়াউর রহমানের মতো এইচ এম এরশাদকেও অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
কথা হল, এখন তো এইচ এম এরশাদ প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূত! অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী রাষ্ট্রপতি কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হয়? নাকি নিজে ক্ষমতায় থাকলে কোন কিছু অবৈধ হলে নিজের স্বার্থে বৈধ মনে হয়৷
তাছাড়া বৈধ অবৈধতার মাফকাঠি কী? ৫% ভোটেও কি বৈধ সরকার হয়? জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সরকার নির্বাচিত হওয়ার কথা৷ কিন্তু নির্বাচনের আগেই যেহেতু ১৫৩ আসন পেয়ে সরকার নির্বাচিত হয়ে যায় তাদেরও যে পরবর্তীতে অবৈধ ঘোষণা করবে না তার প্রমাণ কি?
যদিও আমি এই আইনটি করার পক্ষে, তবে সেটা কোন নির্বাচিত সরকার এই ধরণের আইন করলে সকলের গ্রহণযোগ্যতা পেত৷ নিজেরই যদি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকে সে নিজে বৈধ অবৈধতার নির্ধারক হলে সেটা বড় বেমানান দেখায়৷
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


