পুলিশ নিজেই যখন চাঁদাবাজি করে তখন চাঁদাবাজদের ঠেকাবে কে? পুলিশের মহাপরিদর্শক ঘোষণা দিয়েছিল মহাসড়কে গরুবাহী কোন ট্রাক সুনির্দিষ্ট কোন কারণ ছাড়া থামাবে না৷ কিন্তু কে শোনে কার কথা! ঠিকই ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজি করছে দেদারছে৷ সেই সাথে পেশাদার চাঁদাবাজরা তো আছেই৷ অবশ্য অনেক পুলিশ সদস্যও পেশাদার চাঁদাবাজ!
আজ সংবাদে দেখলাম ১১ বছরের শিশুসহ এক মহিলাকে তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ থানায় ধরে এনে একদিন আটকিয়ে রেখে ৪২ টাকা ঘুষ নিয়ে তাদের ছেড়ে দিয়েছে৷ পুলিশ রাত্রে উক্ত মহিলার স্বামীকে ধরতে গিয়ে না পেয়ে শিশুসন্তানসহ মহিলাকে ধরে নিয়ে আসে৷ এটা যেন বাংলা সিনেমার কাহিনী যেখানে খলনায়ক নায়ককে শায়েস্তা করতে নায়কের মা-বাবা, প্রেমিকা, বোন ইত্যাদি ধরে নিয়ে আসে৷
পুলিশ যদি চাঁদাবাজ, খলনায়কের ভূমিকা নেয় তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? সবকিছুতেই এত অরাজকতা আর কত দিন? এভাবেই কি চলতে থাকবে দেশ? স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর এসেও আমরা দেখছি এলাকার মাস্তান, দলীয় মাস্তান, পুলিশি মাস্তান, বিচার বিভাগীয় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপসহ নানা ভাবে পদে পদে আমরা পরাধীনতার তিক্ত স্বাদ ভোগ করেই চলেছি৷
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



