somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপ-বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত, সুন্দরবনকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা মাত্র।

২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রামপাল যে একটা অসমচুক্তি তা বুজার জন্য বেশি তথ্য উপাত্ত জানতে হয় না, ক্যলকুলেটর দিয়েও অর্থনৈতিক হিসাব নিকাশ করতে হয় না। প্রকল্পে ১৫% বিনিয়োগে ভারতীয় মালিকানা ৫০%*** আবার বিদ্যুতের দাম পড়ছে দ্বিগুণেরও বেশী। উচ্ছেদ হচ্ছে বাংলাদেশের হাজার হাজার পরিবার। কৃষিজ সম্পদ হারাচ্ছে বাংলাদেশ। পরিবেশ বিপর্যয় হচ্ছে বাংলাদশের,কিন্তু ৫০% শতাংশ মালিকানা ভারতীয় কোম্পানির!!!!! ভারত মধ্যপ্রদেশে যে প্রতিষ্ঠানকে কাজের অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশ সেই এনটিপিসিকেই সুন্দরবনের উপর ১৩২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সুযোগ করে দিচ্ছে পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব তোয়াক্কা না করেই।
তার উপর ভারতীয় কোম্পানিকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র লাভের করও দিতে হবে না। এটা কীভাবে জাতীয় স্বার্থের অনুকুলে হয়???

অর্থাৎ এ প্রকল্প অর্থনৈতিক দিক থেকে আমাদের জন্য মোটেই লাভজনক হবে না। বরং এ বিদ্যুৎকেন্দ্রর কারণে সুন্দরবন ধ্বংসের মুখে পড়বে।” কারন সুন্দরবনের পাশেই রামপাল। এতে ওই এলাকার মানুষ সর্ব দিক থেকে সমস্যার মুখে পরবে, এতো সমস্যার পর ও কোনও দিকে সরকার না তাকিয়ে জনস্বার্থহীন একটা প্রকল্প নিজেদের লাভের জন্য হাতে নিয়েছে। যা অমানবিক।

একটা কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে যে পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড, সালফার-ডাই-অক্সাইড, এসিড বৃষ্টি, নাইট্রোজেন-অক্সাইড, কার্বন-মনোঅক্সাইড, পারদ, সীসা ইত্যাদি বিষাক্ত পদার্থ নির্গত হয় তার পরিমাণ এতই বেশি যে এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্রকে পরিবেশ দূষণের ক্ষেত্রে লাল ক্যাটাগরির স্থাপনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে নির্গত পানি আশেপাশের নদী-জলাশয় দূষিত করে। ভারতের সুন্দরবন অঞ্চলে এবং মধ্যপ্রদেশে এ ধরনের একটি প্রকল্পের কথা থাকলেও কৃষি ও পরিবেশগত সমস্যার কারণে সেগুলি বাতিল করা হয়েছে। ভারতে বাতিল করা প্রকল্প আমাদের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। এই চেষ্টা কোনও ভাবে সফল করতে দেয়া যাবেনা।

আমাদের দেশের শাসকদের উদাসীনতা, পরিকল্পনাহীনতা, বাক্তিস্বার্থের কারনে, এমনকি কখনো কখনো স্বেচ্ছাকৃত ভূমিকার কারণে দেশের তেল গ্যাস কয়লা বহুজাতিক কোম্পানির কাছে চুক্তি করে আমাদের সাধারন মানুষের অধিকার শাসক গুষ্ঠি বার বার হরন করছে, এবং আমাদের বনাঞ্চল, নদ-নদী-জলাশয় এক কথায় গোটা পরিবেশই আজ ধ্বংসের মুখোমুখী।
এরকম একটি পরিস্থিতিতে কিছুতেই দেশের এবং আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত আমাদের সুন্দরবনকে ধ্বংস করার কোনো অপচেষ্টা দেশবাসী মেনে নেবে না।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:২৫
১২টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেউ পুড়বে আর কেউ পোড়াবে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

অনেকদিন নিশ্চুপ আছি কিছুদিনের অপেক্ষায়;
কেউ কেউ বলে কিছুদিন নাকি হারিয়ে গেছে,
অনেকদিনের গর্ভে তাই মেলাতে সরল গণিত।
কিছুদিনের অপেক্ষায় অপেক্ষায়-
ছেটে দিয়েছি কথামালার ডালপালা।
বসে বসে মেলাই কাণ্ডহীন বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Good governance starts with respecting public money....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



Good governance starts with respecting public money....

গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, ভালোবাসাই যথেষ্ট

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৮



চীনের লিংশান পর্বতে শুয়ে আছেন ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর দুই সাহাবী সা-কে-জু (Sa-Ke-Zu) এবং
উউ-কো-শুন (Wu-Ko-Shun)। এই নামেই তাঁদের চিনতো স্থানীয় চীনবাসীরা। অবাক হতে হয়, আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....

প্রিয় সহব্লগার,
একসময় সামু ছিল আমাদের ছোট্ট এক মহাবিশ্ব।
দৈনিক গড়ে তিন-চারশ' ব্লগার অনলাইনে থাকতেন। প্রতি মিনিটেই নতুন নতুন পোস্ট আসত। কেউ গল্প লিখছেন, কেউ কবিতা, কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ২২ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭



বাংলাদেশে শেষ কবে সিনেমা হলে গিয়ে মুভি দেখেছিলাম মনে নাই। গতকাল সন্ধ্যায় আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলাম, স্টার সিনেপ্লেক্স মুভি থিয়েটারে। এখন আর আগের মতন সিনেমা হল নেই। অনেক কিছু বদলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×