অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ছে
মাঠে, ঘাটে, নদী-নালায়
শহরে, বন্দরে, গ্রাম-গঞ্জে
বৃষ্টির পানিতে যেন
বন্যাই হয়ে গেল
রাস্তায় বুক সমান পানি
রিকসা, ভ্যান তবুও চলছে
পানি মাড়িয়ে, মেহনতী মানুষরা
কি আর করবে, পেটের দায়ে রাস্তায় নামে।
আষাঢ় মাসে বরষার প্রথম কদম ফুল
মনে করিয়ে দেয় নন্দিত সাহিত্যিক
হুমায়ুন আহমেদ কে, বর্ষা নিয়ে তার
যেন কত মাতামতি, বরষার প্রথম দিনে
প্রেমিক প্রেমিকার কদম ফুল উপহার
আরও কত কি?
তবুও বর্ষায় আমার মন
অনন্দে মেতে উেঠে,
সেচ্ছায় ভেজা হয় বৃষ্টিতে।
গ্রামের কোন এক বালক
কলা গাছের ভেলা নিয়ে
বিলের এপার থেকে ওপারে যায়,
বৃষ্টির পানিতে গোসল করে
আরও কত দস্যিপনা,
মনের অনন্দে গান গায়
হয়তো কদম ফুল দিয়ে খেলা করে
হয়তো জাল নিয়ে মাছ ধরে,
সে সময় মুসলধারে বৃষ্টি পড়ে
বিলের জলে, মাছেরা হয়তো লাফালাফি করে,
এভাবেই তার সময় কেটে যায়
দুপুর গড়িয়ে, বিকাল, তার পর সন্ধ্যায়
বাড়ি ফেরে, হয়তো এক খলই মাছ নিয়ে।
সত্যিই বর্ষাকাল অনেক সুন্দর
সবুজ, সতেজ হয় গাছপালা
বাংলার চির সবুজ প্রকৃতি যেন হয়
আরও সবুজ, স্রষ্ট্রার নিয়ে হাতে গড়া মনে হয়
এই বাংলার সবুজ জমীন
ধুয়ে মুছে নিয়ে যায়
সব পাপ-কালিমা ও পঙ্কিলতা
ধরনী হয়ে উঠে পবিত্র
ধন্যবাদ বর্ষা তোমায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




