somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটু খানি আশা ... হৃদয়ে বাংলাদেশ

০১ লা মে, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপনি ক্রিকেটে কোন দলকে সাপোর্ট করেন ?

ভারত – পাকিস্তান – শ্রীলংকা – দক্ষিন আফ্রিকা – অস্ট্রেলিয়া

ঘুরে ফিরে এই নামগুলোই আসে ।

আমাকে এই প্রশ্নটি কয়েক বার শুনতে হয়ঃ

‘কাকে সাপোর্ট কর ?’

‘বাংলাদেশ’

‘হুম । এরপরে ?’

‘বাংলাদেশ’

‘বুঝলাম । তারপরে ? বাংলাদেশ বাদে ?’
আবারো বলি , ‘বাংলাদেশ’

এবার একটু ভ্রুকুটি দেখতে হয় । ওদের খেলা ! খেলা পারে এই গুলো ? যখন ধরে খেলা লাগে তখন মারতে গিয়ে আউট যায় । আর যখন মারা দরকার , তখন রান –ই করতে পারে না !

আর বলিং ? ৬ রানে ৫টা উইকেট দেলে দেবার পরেও ওরা জিততে পারে না । ক্যাচ তো আজকাল নিয়মিত-ই ছাড়ে ।

মানি । মেনে নিই । সত্যকে অস্বীকার করব কিভাবে !

তবুও ওদের খেলা দেখি ।

মানুষ কি বলে কয়ে প্রেমে পরে নাকি !

দোষটা মনে হয় তামিম আর সাকিবের । আর বিশেষ করে ২০০৭ সাল ।

অথবা তার আগের ২০০৬ ।

সে সময় বাংলাদেশ ব্যাটিং করতে নামলে উত্তেজনায় জগ থেকে পানি ঢালতে পারতাম না – হাত কাঁপত এতই । খেলার আগে কিচ্ছু খেতাম না । খেলার সময় তো কিছু গলা দিয়ে নামতই না !

যখন বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের কাছে হারলেও আশা করি ওরা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনাল জিতবে । বোর্ডে মাত্র ১৫০ উঠলেও ভাবি খেলা এখনো শেষ হয় নি ,


সেই সময়টা একটু পার হয়েছে । এখন আর হারলে চোখের পানি ফেলি না । পানিও ঢালতে পারি , খেতেও পারি । ক্রিকইনফোর সুবাদে আমাকে আর রান লিখতে হয় না প্রতি ওভার শেষে ।


আজকে আবার খেলা ।

কি হবে ফলাফল ?

আশরাফুল ক্যাচিং প্রাকটিস করাবে স্লিপে … তামিম আউট হবে ১৪-১৫ করে … অথবা সাকিব পেসার দের অসময়ে বলিং করিয়ে জেতা ম্যাচ হাত থেকে বের করে দিবে …

অথবা ।

অথবা তামিম খেলবে তামিমের মত ।

অথবা একটা দিনের জন্যে আশরাফুল বদলে যাবে ।

অথবা সাকিব নয়ত মাশরাফি নয়ত আর কারো একটা স্পেলে আমরা ওদের ধ্বসিয়ে দিব …

প্রয়োজন তিন জন পার্ফরমার আর একজন ফিনিশার ।

একটা জয় চাই । সারা বছরে শুধু একের পরে এক পরাজয় এই দলটির অন্ধ ভক্তটির অথবা ভক্তদের হৃদয় ভেঙ্গে দিয়েছে ।

হয়ত জয় আসবে । অথবা এই বছর হবে কেবল পরাজয়ের গল্প ।

ফলাফল যাই হোক না কেন ,বাংলাদেশকে সমর্থন করি । আগেও করেছি ; ভবিষ্যতেও করব ।







শেষ হবার পরেঃ

পাকিস্তান আগে ব্যাট করে ১৭২ করে । আশরাফুল ৬৫ আর সাকিব ৪৭ করলেও শেষ পর্যন্ত ফিনিশার ছিল না কেউ ।

২১ রানে হেরে পরাজয়ের তালিকাটা আরেকটু দীর্ঘ হল ।

পূর্ণ স্কোরকার্ড
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মে, ২০১০ রাত ৩:১৩
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×