
ফ্রান্সে বুর্কিনি পরায় মুসলিম নারীকে পুলিশি হেনস্থা
একটি কথা কি ভেবে দেখেছেন’ কেনো ফ্রান্সে জঙ্গী হামলা হয়? এর আগে ফ্রান্সে হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর কাটুন ছবি প্রতিযোগীতার আযোজন করেছিলো ফ্রান্সের এক বিখ্যাত কাটুন পত্রিকার কমিটি। সেই কার্টুন প্রতিযোগীতা নিয়ে সমগ্র মুসলিম বিশ্বে এর প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়। ফ্রান্সই প্রথম রাষ্ট্র যেখানে হিজাব মহিলাদের জন নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়। এই নিষিদ্ধতার অমান্যে জরিমানা করা হয়। তা সত্তেও অনেক মুসলিম নারী এই নিষিদ্ধতা অমান্য করে এবং হিজাব পড়ে প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে উদ্ভুত করে ফলে অনেক মুসলিম নারী জরিমানা দিয়ে হিজাব পরিধান করে প্রকাশ্যে চলাফেলা করে ।ইদানিং ফ্রান্স সরকার মুসলিম নারীদের বুর্কিনি পরিধান করার অপরাধে পুলিশ হেনস্থা করছে।
বুরকিনি অবশ্য মোটেও ধর্মীয় সিম্বল বা প্রতীকী কোনো পোশাক নয়; সাতারু, ডাইভার বা সার্ফাররা এটা অনেক আগ থেকেই পরছেন। অথচ কান্স শহরের মেয়র এটাকে চিহ্নিত করেছেন ‘চরম্পন্থী ইসলামের পোশাক’ হিসেবে। (হাফিংটন পোস্ট, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। একইসঙ্গে পোশাকটি ফ্রান্সের আরও ৩০টি নগরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সত্যিই একটা বিষয় বুঝিনা কেনো ফ্রান্স সরকারের এই নোংরামী চিন্তা চেতনা। যেহেতু অনেক মুসলিম ফ্রান্সের নাগরিক। সেইহেতু মুসলিমদের অনুভূতী বা বিশ্বাসের উপর আঘাত হানার বাসনা কি গণতান্তিকতার নামে এক প্রকার স্বৈরতান্ত্রিকতা নয় কি? অবশ্য ফ্রান্সে বা ইউরোপের অনেক দেশে বোরকা অনেকাংশে নিষিদ্ধ, কোথাও কোথাও নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। কোথাও নিষিদ্ধকরণ নিয়ে ধর্মীয় সংঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকী এই বোরকাকে নারীর স্বাধীনতার বিষয় উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় বিখ্যাত লেখিকা অরুন্ধতী রায়, আমেরিকান বুদ্ধিজীবী নোয়াম চমস্কি পর্যন্ত। এ ছাড়া ইউরোপের অনেক নারী অধিকার সুরক্ষার কর্মীরাও বুরকিনির পক্ষে মত দিয়েছেন। বুরকিনি পোষাক পড়ার ক্ষেত্রে নিদীষ্ট বাধা নিষেধ কোন গনতান্ত্রিকতার প্রতিফলন হতে পারে না। এটা গণতন্ত্রের মূখোশে ডিকটেটরশিপ বলা যায়। আর এই ডিকটেটরশিপ আচরন মুসলিম মানুষদের মধ্যে থেকে কিছু অসুস্থ মানুষকে জঙ্গি বানিয়ে ধ্বংশাত্বক পরিবেশ সৃষ্টি করাচ্ছে। ফ্রান্স সরকারের জানা উচিত তারা মুসলিমদের নাগরিকত্ব দিয়েছে।ধর্মীয় বিধিনিষেধ মানার ক্ষেত্রে আজ কেনো তাদের এই বৈষম্যমূলক আচরন। আমারতো মনে হয় তারা তাদের খ্রিষ্টান জাতীয়তার ক্ষেত্রে এই রকম বৈষম্য দেখাচ্ছে না।
ইসলাম সবসময় পর্দা জাতীয় হিজাব ও শালীন পোশাক পরিধান করার নির্দেশ দেয়। সেই ধারাবাহিকতায় মুসলিমরা বুর্কিনি পরিধান করে স্নাক করে পাশ্চাত্যের মুসলিমরা। অথচ সেই র্বু কিনি পরিধান করার অপরাধে ফ্রান্সের পুলিশ হেনস্থা করছে। একজন মুসলিম মাত্রই শালীন পোষাক পরিধানের পক্ষে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওবামার উপদেষ্টা ড. ডালিয়া মুজাহিদ এর ইসলামী হিজাব ও শালীন পোশাক পরিধান করার কারণে সাংবাদিকগণ তাকে গভীর বিস্ময়ে জিজ্ঞাসা করেছিলো, আপনার বেশ-ভূষা ও পোশাক-পরিচ্ছদের মধ্যে আপনার উচ্চ শিক্ষা ও জ্ঞানের গভীরতা প্রকাশ পাচ্ছেনা। তাদের ধারণা ছিলো, হিজাব অনগ্রসরতা, মূর্খতা ও সেকেলে ধ্যান-ধারণার প্রতীক। উত্তরে তিনি বললেন- “আদিম যুগে মানুষ ছিল প্রায় নগ্ন, শিক্ষা ও জ্ঞান চর্চার উন্নতির সাথে সাথে পোশাক পরিধান করে সভ্যতার উচ্চ শিখরে আরোহণ করতে থাকে। আমি যে পোশাক পরিধান করেছি, তা শিক্ষা ও চিন্তাশীলতায় উন্নতি ও সভ্যতার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।নগ্নতা ও উলঙ্গপনাই যদি উন্নত শিক্ষা ও সভ্যতার চিহ্ন হতো, তাহলে বনের পশুরাই হতো পৃথিবীর সবচেয়ে সুসভ্য ও সুশিক্ষিত”। মুসলিমরা কোন পোষাক পড়বে আর কোন পোষাক পড়বে না সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। অথচ এই বিষয়টির উপর আধিপত্য খাটানো টা কি ফ্রান্সের সরকারের উচিত? ফ্রান্সের জনগন যদি এ জাতীয় বৈষম্যের পক্ষে রায় দেন তাহলে সরাসরি জাতীয়তাগত ভাবে ব্যপারটি বিদ্ধেষ প্রসুত হয়ে যায়। এই বিদ্বেশ সকল মুসলিমদের উপর প্রভাব ফেলবে। যা একটি সময় সকল মুসলিম জাতীয়তার বিরুদ্ধচারন হয়ে দাড়াবে এটাই স্বাভাবিক।
আমরা হয়তো অনেকেই জানি 1503 সালের ডিসেম্বরে ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া Michel de Nostredame (December 14, 1503 – July 1, 1566) নস্ট্রাডেমস এক অল্যৗকিক ভবিষ্যতবানীর ক্ষমতা পান। তিনি অনেক কিছুই ভবিষত্যবানী করেন যার অনেক কিছুই ঘটেছে। তার অন্যতম এক ভবিষ্যতদবানী ছিলো মধ্যপ্রাচে জন্ম নেয়া এক মানুষ। যাকে ণস্ট্রাডেমাস এ্যান্টি ক্রিস্টস নামে অভিহিত করেছেণ। নষ্ট্রোডেমাস বলেছেন“ জনৈক মুসলিম বিশ্বের এক সন্ত্রাসী নেতা জাহাজ ভরে সৈন্য এন ফ্রান্স আক্রমন করবে। তার ভাষায় সেটাই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং সেটাই নিউক্লিয় যুদ্ধ বা পারমানবিক যুদ্ধ। সেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ফ্রান্সকে হারিয়ে দেয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে জন্ম নেওয়া সেই মানুষটি ভয়াবহ সন্ত্রাসী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং সেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারন। এখন আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে নস্ট্রাডেমস এর ভবিষত্যবানী কি ঠিক হতে চলেছে? ফ্রান্স যা করছে মুসলিমদের যে ভাবে উত্তেজিত করেছে।এই উত্তেজনাই সকল মুসলিমদের এক ঐক্যবদ্ধ করবে এবং লাভবান হবে জঙ্গী মানসিকতা সম্পন্ন মানুষেরা। ইদানিং সৌদি তুরস্ক পাকিস্থান আরব আমিরাত অনেক মুসলিম দেশ মিলে একটি সম্মিলিত সামরিক বাহিনী গঠনের উদ্দ্যেগ গঠন করেছে। যদি মুসলিম দেশ সমূহ এ্ক্ব ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতোন একটি ইউনিয়ন গঠন করে তাহলে মুসলিমরা আমেরিকা, রাশিয়া কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর সম পর্যায়ের শক্তিশালী সেল্যবাহিনী গঠন করতে পারবে। আর এই ভাবে মুসলিমদের বিরুদ্ধে উত্তেজনামূলক অবস্থানে ফ্রান্স যদি নিয়মিতভাবিই থাকে তবে এই অবস্থান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারন হয়ে যাবে। ফলে নস্ট্রাডেমসের ভবিষ্যতবানী সত্যি হয়ে যাবে। নস্টাডেমস্ এর ভবিষত্যবানীর কিছু অংশ তুলে ধরলাম “ In the year 1999 and seven months From the sky will come the great King of Terror. He will bring back to life the King of the Mongols; Before and after war reigns. Nostradamus predicts the war will begin shortly before the year 1999. It doesn't make much sense to this author, but many are now saying that the 'war' was set 'in motion' in 1999, and now after September 11th these things are going to come true... as we are now 'at war with terror.' Interpret it how you will. He also tells us how long the war will last. The war will last seven and twenty years. (so 27 years)
Nostradamus says that the war will be so terrible that the world will come face to face with final annihilation. Here, he implies that the war might involve some kind of horrible weapon, possibly nuclear. Nostradamus tells what the first target will be.
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




