somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমেরিকা কি ইরানের খার্গ দ্বীপে স্থল হামলা করবে? তাহলে রাশিয়া ও চীনের জন্য তাদের অস্ত্রের প্রাক্টিক্যাল এপ্লিকেসানের মোক্ষম সুযোগ।

০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের দখল করতে সেনা পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। এতে করে দ্বীপটি নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। খার্গ দ্বীপ দীর্ঘদিন ধরে ইরানের তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।গভীর জলসীমায় অবস্থিত হওয়ায় এখানে অতি বৃহৎ তেলবাহী জাহাজ ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি)সহজেই ভিড়তে পারে,যেগুলো প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল বহনে সক্ষম। ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।তবে যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপের তেলের অবকাঠামো গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা থেকে ছাড় দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র যদি শেষ পর্যন্ত খারগ দ্বীপে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় তবে সেটি সম্ভবত একটি সাময়িক পদক্ষেপ হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হবে, ইরানের জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ করে দিয়ে দেশটিকে চাপে ফেলা যাতে তারা বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করে এবং ওয়াশিংটনের দাবিগুলো মেনে নেয়।

কিন্তু প্রশ্ন হয়ে দেখা দিচ্ছে আমেরিকা যদি সত্যি সত্যি ইরানে হামলা করে তাহলে এর পরিনতি কি হতে পারে? মার্কিন সেনাদের মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে ইরানের সামরিক বাহিনী, এমনটা উল্লেখ করে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরানে ঢুকলে মার্কিন সেনাদের কফিনে করে ফিরে যেতে হবে। ইরানের এই হুমকি উপেক্ষা করে কি মার্কিন সেনা দখল করতে পারবে খার্গ দ্বীপ? বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের হুমকি উপেক্ষা করে স্থল অভিযান শুরু করলে আরেকটি বড় ভুল করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কারন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের হামলা শুরুর আগেও দেশটির প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ সক্ষমতা সঠিকভাবে আঁচ করতে পারেননি ট্রাম্প। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ত্রিতা পারসি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত ৬ মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত এই যুদ্ধকে টানতে পারবে। যেটা হামলার শুরুতে তাদের নিজেদের ধারণার থেকেও বেশি সময়। এটি প্রায় নিশ্চিত যে, আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিতবে না। আর স্থল হামলা চালালে তা হবে তাদের চরম উন্মাদনার প্রমাণ।

পারস্য উপসাগরের এই দ্বীপগুলো ইরানের জন্য একটি সুরক্ষাকবচ তৈরি করেছে। জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারির মাধ্যমে দ্বীপগুলো তেহরানকে ভৌগোলিক সুবিধা দিচ্ছে। সুতরাং দখল করলেই কি হলো? দখল করে রাখা কত দিন সম্ভব? তুলনা করা যেতে পারে কৃষ্ণ সাগরে অবস্থিত ইউক্রেনের স্নেক আইল্যান্ড বা দ্বীপের সাথে এই পরিস্থিতির সাথে। ২০২২ সালে ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পরপরই রাশিয়া দ্বীপটি দখল করে নিয়েছিল। কিন্তু ইউক্রেনীয় মূল ভূখণ্ড থেকে অবিরাম কামানের গোলা ও হামলার মুখে শেষ পর্যন্ত দ্বীপটি ছেড়ে যেত বাধ্য হয় রাশিয়া। ইরানের ভূখণ্ডে দীর্ঘমেয়াদী যেকোনো মার্কিন দখলদারি খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও জনসমর্থন পাবে না। অথচ ইসরাঈল সমর্থনকারী কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষকের বক্তব্য আমেরিকার উন্নত দু দুটি বিমান F-35, B-52 আধুনিক স্টিলথ ফাইটার প্রতিহত করার মতো স্টিলথ ফাইটার শনাক্ত করা এবং ধ্বংশ করার মতো আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ইরানের নেই। রাডার স্টিলথ ফাইটার শনাক্ত করতে পারে না। অত্যাধিক বিমান হামলার সুযোগে নিদ্বীধায় স্থলপথে স্থল সেনা প্রবেশ করানো সম্ভব। সুতরাং ইরান যত ডাক পারুক লাভ নেই।

বিশ্বের তাবৎ ওয়ার স্পেশালিস্টরা বলতেছেন স্থল অভিযান হবে আত্মহত্যার শামিল। তারপরও ইহদী দালাল রাজনৈতিক বিশ্লেষকের বক্তব্যের বিরুদ্ধাচারী কিছ যুক্তি তুলে না ধরলেই নয়। ধরে নিলাম ১০ হাজার সৈন্য খড়গে নেমে দখলে নিল, মানলাম, তো তারা খাবে কি, রসদ কই পাবে, কিভাবে পাবে? আকাশ থেকে F-35, B-52 দিয়ে রসদ নামাবে? ১০ হাজার যোদ্ধাকে এই দ্বীপ দখলে রাখতে কতদিন থাকতে হবে? শিপে রসদ পাঠাবে কিভাবে? আমেরিকা অজেয় বাট আটলান্টিক এর ওপার থেকে তারা খুব কম যুদ্ধেই সুবিধা করতে পেরেছে। ইতিহাসে ১৯৪৫ এর পর তারা সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে । স্বয়ং চীফ অফ জেনারেল স্টাফই এই যুদ্ধে যেতে চায় নাই আমেরিকার সেনাবাহিনী নিয়া।

এবার আসি ঐ দুটি যুদ্ধ বিমান নিয়ে আলোচনায়। বি-৫২ (B-52 Stratofortress) এবং আধুনিক স্টিলথ ফাইটার (যেমন F-22 বা F-35) শনাক্ত ও ধ্বংস করার জন্য চীন এবং রাশিয়ার কাছে বেশ কিছু উন্নত প্রযুক্তি ও কৌশল রয়েছে। তবে স্টিলথ প্রযুক্তি এবং এটি দমনের প্রযুক্তির মধ্যে সবসময় একটি "ইঁদুর-বেড়াল খেলা" চলতে থাকে। নিচে তাদের প্রধান প্রযুক্তিগুলো আলোচনা করা হলো:
১. বি-৫২ (B-52) ধ্বংস করার প্রযুক্তি
বি-৫২ কোনো স্টিলথ বিমান নয়। এর রাডার সিগনেচার বিশাল, তাই এটি রাডারে খুব সহজেই ধরা পড়ে।
রাশিয়ার S-400 ও S-500: এই সিস্টেমগুলো বি-৫২-এর মতো বড় লক্ষ্যবস্তুকে ৪০০-৬০০ কিমি দূর থেকেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
চীনের HQ-9: এটি রাশিয়ার S-300-এর আদলে তৈরি একটি শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা বি-৫২-কে সহজেই টার্গেট করতে পারে।
সীমাবদ্ধতা: বি-৫২ সরাসরি শত্রু সীমানায় ঢোকে না। এটি অনেক দূর থেকে ক্রুজ মিসাইল (Stand-off weapons) নিক্ষেপ করে নিরাপদ দূরত্বে থাকে। এছাড়া এর নিজস্ব শক্তিশালী Electronic Warfare (EW) স্যুট রয়েছে যা শত্রুর রাডারকে জ্যাম করতে পারে।
২. স্টিলথ ফাইটার ডাউন করার প্রযুক্তি
স্টিলথ বিমানগুলো মূলত X-band (উচ্চ কম্পাঙ্ক) রাডার এড়াতে ডিজাইন করা হয়। চীন ও রাশিয়া একে মোকাবিলায় ভিন্ন কৌশলে এগোচ্ছে:
ক. লো-ফ্রিকোয়েন্সি রাডার (VHF/UHF)
স্টিলথ বিমানের আকৃতি ছোট রাডার তরঙ্গকে অন্যদিকে পাঠিয়ে দেয়, কিন্তু বড় তরঙ্গ (Long wavelength) বিমানের গায়ে লেগে প্রতিধ্বনি তৈরি করে।
রাশিয়ার Nebo-M: এটি একটি মাল্টি-ব্যান্ড রাডার যা স্টিলথ বিমান শনাক্ত করতে পারে বলে দাবি করা হয়।
চীনের JY-27A ও YLC-8E: চীন দাবি করে তাদের এই রাডারগুলো F-22 বা F-35-এর মতো বিমানকে অনেক দূর থেকে ট্র্যাক করতে পারে। এমনকি ভেনেজুয়েলায় চীনের তৈরি রাডার মার্কিন স্টিলথ বিমান শনাক্ত করার দাবি উঠেছিল (যদিও এর কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্ক আছে)।
খ. ইনফ্রারেড সার্চ অ্যান্ড ট্র্যাক (IRST)
স্টিলথ বিমান রাডার থেকে বাঁচলেও এর ইঞ্জিন প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে।
চীন ও রাশিয়ার আধুনিক ফাইটার জেটে (যেমন Su-35, Su-57, J-20) শক্তিশালী ইনফ্রারেড সেন্সর থাকে। এটি রাডার ব্যবহার না করেই তাপের মাধ্যমে স্টিলথ বিমানকে খুঁজে বের করতে পারে।
গ. প্যাসিভ সেন্সর নেটওয়ার্ক
এই প্রযুক্তিতে কোনো রাডার সিগন্যাল পাঠানো হয় না। পরিবর্তে, আকাশে থাকা অন্যান্য রেডিও তরঙ্গ (যেমন টিভি বা মোবাইল টাওয়ারের সংকেত) যখন কোনো বিমানের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়, তখন সেই বিচ্যুতি বিশ্লেষণ করে স্টিলথ বিমানের অবস্থান বের করা হয়।

সুতরাং যে সকল ইহুদী দালাল রাজনৈতিক বিশ্বেষক আমেরিকার মৃত্যু কুপে নেমে যেতে উৎসাহ যোগাচ্ছে। তারা হয়তো জানে না আমেরিকা এই মৃত্যু কুপে নেমে গেলে মানসন্মান হারিয়ে চরমভাবে বেইজ্জতি হয়ে নিজ এলাকায় ফিরতে বাধ্য হবে।কারন ইরানকে চীনের অস্ত্রের একটি প্যাকটিক্যাল ক্ষেত্র তৈরী করতে পারে।রাশিয়া এস-৪০০ সরবরাহ করছে ইউক্রেন যুদ্বের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য কেউ কেউ ইতিমধ্যে এস-৫০০ সরবরাহ করছে বলে ধারনা করছেন।সুতরাং আত্মবিশ্বাসের গলায় দড়ি পড়ে আত্মহননেরই শামিল। কারন রাশিয়া ও চীনের জন্য এটাই মোক্ষম সুযোগ তাদের অস্ত্রের প্রাক্টিক্যাল এপ্লিকেসানের জন্য। সুতরাং এটি আমেরিকাকে লোভ দেখায়ে ভূল পথে পথ দেখিয়ে সর্বস্য কেড়ে নেওয়ার মতো একটি চক্রান্ত ইহুদী দালালদের। তাছাড়া আই আর জি,সি চরম ইসলামি চেতনায় উদ্ভুদ্ব একটি সামরিক শক্তি। তাদের অস্ংখ্য নেতা নেত্রীকে হত্যা করেছে ইহুদী সংঘ। তারা চারমভাবে ইহুদি বিরোধি জাতীয়তাবোধে উদ্ভুদ্ব। সুতরাং যুদ্ব কেবল অস্ত্র নয়,মনোবল,জাতীয়তা,বিপ্লব সুরক্ষা, ক্ষোভ উৎসারিত মানসিক দাবানলে শত্রু পক্ষকে মৃত্যু কুপে নিক্ষেপ করে।

লেখক : রাশিদুল ইসলাম লাবলু
কলামিস্ট, ধর্ম বিজ্ঞান সংক্রান্ত প্রবন্ধকার,কনটেন্ট ক্রিয়েটর
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:১৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) একমাত্র অনুসরনীয় আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩




সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে? নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ??

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ হয়েছে যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি থাকে তার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তাদের শ্রম, ত্যাগ, জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাজনা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



মন! মানুষের মন! মানুষকে তছনছ করে দেয়!
কখনো সে বাঘ, কখনো সে অজগর, কখনো সে শত্রু, কখনো সে বন্ধু!
কখনো সে ঈশ্বর, কখনো সে শয়তান, কখনো সে নিয়তি!
বিদিকিচ্ছিরি কান্ড!

লম্বা টানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×