
বাল্য বিবাহ ভাল না মন্দ এ নিয়ে বিবাদ বেশ পুরোনো। এই পুরোন বিষয় নিয়ে দু’চার কথা না বললে নয়। এক দল বলছে বাল্য বিবাহ ভাল না।(এদের দলটাই ভারি)। তবে বাংলাদের মাটিতে বাল্য বিবাহের সমার্থন না দেয়াটা আমার কাছে ঠিক বলে মনে হয় না। বরং বাল্য বিবাহকে ভাল বলতেই হবে আমাদের দেশের পরিস্থিতি লক্ষ করলে। বাল্য বিবাহের কারণে ক্ষতি যা হচ্ছে, লাভ হচ্ছে তারচে’ বেশি। যে সকল হতদরিদ্র পরিবারের মেয়েরা না খেয়ে না পরে বড় হত, তারা খেয়ে পরে একরকম স্বচ্ছন্দেই বড় হচ্ছে তারা। প্রেম নামক যে মহামারি আমাদের দেশে শুরু হয়েছে সেটার ব্যাপারে আইন করা যেতে পারে। আর বাবা মায়েরা যদি সন্তানদেরকে একটু আগে বিবাহ প্রদান করেন তাহলে সমস্যাটা কম হলেও ঘুচবে আশা করা যায়।
এইযে একটু আগে বিয়ে দেয়ার কথা বললাম। তার মানে আমি একেবাবে কম বয়সে বিয়ে দেয়ার কথা বলছি না। যেমন মেয়েদের বিয়ের বয়স সরকারিভাবে ১৮ ছিল। এখন ১৬। ষোল বছর আইন করাতে অনেকেই এর বিরোধিতা করেছে। আমি বলছি না ষোল বছরের আগে মেয়েদের বিবাহ দেয়া হোক। বরং আমি বলব ষোল বছরই ঠিক আছে। এবং সরকারের এই আইনকে আমি সম্মান জানায়। বাল্য বিবাহের কারণে অনেক মেয়ে কষ্টে আছে। শান্তিতে আছে এমন মেয়ের সংখ্যাও কম নয়।
কিন্তু জরিপ শুধু খারাপটার হয়, ভালটার না। বাল্য বিবাহ হয়নি এমন মেয়েদের নিয়ে আমাদের সমাজে সংঘটিত ফ্যাসাদ কী কম? না। কিন্তু তাদের নিয়েও কোনো মাথা ব্যথা নেই। আচ্ছা একটু পেছন থেকে ঘুড়ে আসি। আমাদের বাপ দাদাদের আমলে বাল্য বিবাহের রেওয়াজ ছিল। মেয়ের ১৫ বছর বয়স হলে মা বাবা চিন্তায় অস্থির হয়ে পড়ত। তখন কিন্তু কোন সমস্যা ছিল না। যতসব সমস্যা এখন দেখা দিয়েছে। আসলে সমাজে সমস্যা অসমস্যা থাকবে। একেবারে সমাস্যা মুক্ত সমাজ গড়া যাবে না বা যায় না। সুখ দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



