somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মোশারফের বিশুদ্ধতা

২৩ শে অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লেখক : ইসমাম খান বাবু

গল্পঃ
মোশারফ একটি সরকারি চাকরী করতো । তার পরিবারে তিনি আর তার সহজ সরল স্ত্রী ছাড়া আর কাউ ছিলো না কারন তিনি বড় হয় অনাথ আশ্রমএ । মোশারফ নিয়মিত সকালে তার স্ত্রীর হাতের তৈরি করা নাস্তা খেয়ে অফিসে যান । একদিন মোশারফের অফিসে একজন লোক আসলো, লোকটি দেখতে হ্যান্ডসাম এবং স্মার্ট। লোকটি মোশারফকে অনেক টাকার ঘুষের অফার করলো কিন্তু মোশারফ নাকচ করে দিলো কারণ মোশারফ অনাথ হলেও ছোট থেকে নিজেকে বিশুদ্ধ ও সৎ রেখেছেন । স্মার্ট লোকটি রাগ হয়ে চলে গেলো । মোশারফের জীবন ভালোই চলছিল । কিছু দিন পর, হঠাৎ লক্ষ্য করলো তার স্ত্রীর চেহারা আনমরা! আগের মতো নেই! কথাও বলে না, বেশির ভাগ সময় চুপ থাকে ! মোশারফ জিজ্ঞাসা করল কি হয়েছে তোমার? কিছু বলো না, চুপ করে রোইলো । মোশারফ তার চোখে দেখে কিছু একটা আছ করতে পেরেছিল কিন্তু মোশারফের অফিসর সময় হয়ে যায় তাই ঐদিন আর বেশি কিছু জিজ্ঞাসা করলো না, মোশারফ অফিসে চলে যায় । মোশারফ রাতে বাসায় ফিরে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে “কি হয়েছে আমাকে বলো!”, তখন তার স্ত্রী তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে আর বলতে থাকে আমাকে মাফ করে দাও । মোশারফ আবারো তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে “কি হয়েছে আমাকে বলো!” । কিছুক্ষণ কেঁদে মোশারফের স্ত্রী বলে “আমি তোমার অজান্তেই একটি ছেলে এর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরি, আমি ওকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম কিন্তু ও আসলে একটা প্রতারক! এখন ও আমার আপত্তিকর ভিডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিছে” । এইসব শোনার পর মোশারফ হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো । কিছুক্ষণ পর মোশারফের স্ত্রী দৌড় দিয়ে রান্না ঘরে গেলো এবং একটি চাকু নিলো আত্মহত্যা করতে কিন্তু তখন মোশারফ এসে তার স্ত্রীকে বাধা দেয়ে আত্মহত্যা করতে! মোশারফ তার স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বলে “আমি তোমার সাথে আছি”। এর কিছুক্ষণপর মোশারফের মোবাইলে একটি কল আসলো! মোশারফ ফোনটি রিসিভ করলো, ফোনে একটি লোক বলো “মোশারফ আপনিতো নিজেকে বিশুদ্ধ ও সৎ রেখেছেন, ঘুষ খওয়া না! কিন্তু আপনি আপনার স্ত্রীকে বিশুদ্ধ রাখতে পারলেন না! হা..হা..হা” এই বলে ফোন টা কেটে দিলো । তখন মোশারফ বুঝতে পারছিলো যে তার স্ত্রীকে ফাঁদ ফেলা হয়েছে এবং এটি এই সেই লোক যে দেখতে হ্যান্ডসাম ও স্মার্ট ও তাকে অনেক টাকা ঘুষের অফার করেছিলো । ঘণ্টা-খানিক পর, সেই লোকটি আবার ফোন দিয়ে বলে “ মোশারফ আপনার জন্য একটি ভালো অফার আছে! আপনি আমার ওই কাজটি করে দিন যেটা আমি আপনাকে অনেক টাকার ঘুষের অফার করে ছিলাম তাহলে আমি আপনার স্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিওটা দিয়ে দিবো! এই বলে ফোন টা কেটে দিলো । মোশারফ চিন্তায় পড়ে গেল! মোশারফ কি তার স্ত্রী সম্মান জন্য অসৎ কাজ করবে কি করবে না! তাহলে কি সৎ হারিয়ে অসৎ কাজ করবে মোশারফ? না এটা কিভাবে হয়! যে মানুষ ছোট থেকে নিজেকে বিশুদ্ধ ও সৎ রেখেছেন, সে কিভাবে এই কাজ করে? তাই মোশারফ সিদ্ধান্ত নিলো ওই লোকটা কে উচিত শিক্ষা দিবে । পরের দিন ওই লোকটা মোশারফকে ফোন দিলো! জিজ্ঞাসা করলো “মোশারফ তার কাজটি করবে কি না!” মোশারফ বলো “আমি কাজটি করবো কিন্তু আমার একটি শর্ত আছে! যদি আমার স্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিওটা আগে দেয়ও তাহলে আমি কাজটি করবো । ওই লোকটি রাজি হলো কারন লোকটি কাজ টা তারাতারি করানো দরকার । মোশারফ লোকটিকে বাসায়ে আসেতে বলো । মোশারফ ওই লোকটি আসার আগে বাসায়ে পুলিশ ডেকে রাখে, যখন ওই লোকটি মোশারফ এর বাসায়ে আসে তখন তাকে ধরিয়ে দয়ে এবং মোশারফ মতো মানুষের বিশুদ্ধতার জয় হয় ।মোশারফ একটি সরকারি চাকরী করতো । তার পরিবারে তিনি আর তার সহজ সরল স্ত্রী ছাড়া আর কাউ ছিলো না কারন তিনি বড় হয় অনাথ আশ্রমএ । মোশারফ নিয়মিত সকালে তার স্ত্রীর হাতের তৈরি করা নাস্তা খেয়ে অফিসে যান । একদিন মোশারফের অফিসে একজন লোক আসলো, লোকটি দেখতে হ্যান্ডসাম এবং স্মার্ট। লোকটি মোশারফকে অনেক টাকার ঘুষের অফার করলো কিন্তু মোশারফ নাকচ করে দিলো কারণ মোশারফ অনাথ হলেও ছোট থেকে নিজেকে বিশুদ্ধ ও সৎ রেখেছেন । স্মার্ট লোকটি রাগ হয়ে চলে গেলো । মোশারফের জীবন ভালোই চলছিল । কিছু দিন পর, হঠাৎ লক্ষ্য করলো তার স্ত্রীর চেহারা আনমরা! আগের মতো নেই! কথাও বলে না, বেশির ভাগ সময় চুপ থাকে ! মোশারফ জিজ্ঞাসা করল কি হয়েছে তোমার? কিছু বলো না, চুপ করে রোইলো । মোশারফ তার চোখে দেখে কিছু একটা আছ করতে পেরেছিল কিন্তু মোশারফের অফিসর সময় হয়ে যায় তাই ঐদিন আর বেশি কিছু জিজ্ঞাসা করলো না, মোশারফ অফিসে চলে যায় । মোশারফ রাতে বাসায় ফিরে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে “কি হয়েছে আমাকে বলো!”, তখন তার স্ত্রী তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে আর বলতে থাকে আমাকে মাফ করে দাও । মোশারফ আবারো তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে “কি হয়েছে আমাকে বলো!” । কিছুক্ষণ কেঁদে মোশারফের স্ত্রী বলে “আমি তোমার অজান্তেই একটি ছেলে এর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরি, আমি ওকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম কিন্তু ও আসলে একটা প্রতারক! এখন ও আমার আপত্তিকর ভিডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিছে” । এইসব শোনার পর মোশারফ হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো । কিছুক্ষণ পর মোশারফের স্ত্রী দৌড় দিয়ে রান্না ঘরে গেলো এবং একটি চাকু নিলো আত্মহত্যা করতে কিন্তু তখন মোশারফ এসে তার স্ত্রীকে বাধা দেয়ে আত্মহত্যা করতে! মোশারফ তার স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বলে “আমি তোমার সাথে আছি”। এর কিছুক্ষণপর মোশারফের মোবাইলে একটি কল আসলো! মোশারফ ফোনটি রিসিভ করলো, ফোনে একটি লোক বলো “মোশারফ আপনিতো নিজেকে বিশুদ্ধ ও সৎ রেখেছেন, ঘুষ খওয়া না! কিন্তু আপনি আপনার স্ত্রীকে বিশুদ্ধ রাখতে পারলেন না! হা..হা..হা” এই বলে ফোন টা কেটে দিলো । তখন মোশারফ বুঝতে পারছিলো যে তার স্ত্রীকে ফাঁদ ফেলা হয়েছে এবং এটি এই সেই লোক যে দেখতে হ্যান্ডসাম ও স্মার্ট ও তাকে অনেক টাকা ঘুষের অফার করেছিলো । ঘণ্টা-খানিক পর, সেই লোকটি আবার ফোন দিয়ে বলে “ মোশারফ আপনার জন্য একটি ভালো অফার আছে! আপনি আমার ওই কাজটি করে দিন যেটা আমি আপনাকে অনেক টাকার ঘুষের অফার করে ছিলাম তাহলে আমি আপনার স্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিওটা দিয়ে দিবো! এই বলে ফোন টা কেটে দিলো । মোশারফ চিন্তায় পড়ে গেল! মোশারফ কি তার স্ত্রী সম্মান জন্য অসৎ কাজ করবে কি করবে না! তাহলে কি সৎ হারিয়ে অসৎ কাজ করবে মোশারফ? না এটা কিভাবে হয়! যে মানুষ ছোট থেকে নিজেকে বিশুদ্ধ ও সৎ রেখেছেন, সে কিভাবে এই কাজ করে? তাই মোশারফ সিদ্ধান্ত নিলো ওই লোকটা কে উচিত শিক্ষা দিবে । পরের দিন ওই লোকটা মোশারফকে ফোন দিলো! জিজ্ঞাসা করলো “মোশারফ তার কাজটি করবে কি না!” মোশারফ বলো “আমি কাজটি করবো কিন্তু আমার একটি শর্ত আছে! যদি আমার স্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিওটা আগে দেয়ও তাহলে আমি কাজটি করবো । ওই লোকটি রাজি হলো কারন লোকটি কাজ টা তারাতারি করানো দরকার । মোশারফ লোকটিকে বাসায়ে আসেতে বলো । মোশারফ ওই লোকটি আসার আগে বাসায়ে পুলিশ ডেকে রাখে, যখন ওই লোকটি মোশারফ এর বাসায়ে আসে তখন তাকে ধরিয়ে দয়ে এবং মোশারফ মতো মানুষের বিশুদ্ধতার জয় হয় ।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন লা-মাযহাবিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কারণ কী ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২


আজকে নতুন চারটি মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলো। এর মধ্যে একজনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে । বলছি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের কথা। তিনি একজন লা মাযহাবি বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবীপ্রসাদ যাত্রা

লিখেছেন জ্যোতির্ময় ধর, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২১


আমি তখন ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। চট্টগ্রামের মোমিন রোডের রুচিশীল বই বিপণি কথাকলির বুকশেলফে চোখ বুলাচ্ছিলাম । হঠাৎ একখানি বইয়ের ওপর এসে থমকে গেল আমার চোখ । "ক্ষুদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×