somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আত্ম উন্নয়ন: আমরা করবো জয়!!!

১৩ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


"আমি এটা করবো, আমি সেটা করবো" এরকম বিরক্তিকর কথাবার্তা আমরা প্রায়ই বলতে শুনি। বিরক্তিকর কেন? কারণ যে এই কথাগুলো বলছে সে কখনও যা বলে তার ১০% ও করেনা। এমন কি নিজেকে দিয়ে চিন্তা করে দেখেন- গত বছর যা যা ভেবেছিলেন করবেন, এবং অনেককে বলেছেন- তার কয়টি আদৌ করেছেন?

কিছুদিন আগে একটা ব্লগে দেখেছিলাম একজন লিখেছেন কি কি কারণে মানুষ ব্যাবসা করার কথা বলেও নানা অজুহাতে কখনও ব্যাবসা শুরু করতে পারেনা। আমার লেখাটা একটু বেশি সাধারণ- শুধু ব্যাবসা না, পড়া লেখা, সম্পর্ক, চাকুরী, বা অন্যান্য যেকোনো ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

বেশ কিছুদিন ধরেই এই বিষয়ের উপরে গবেষণা হচ্ছে কেনো আমরা যা যা বলি তার বেশিরভাগ কোনোদিন-ই করতে পারিনা। তার মানে কি বলাটা খারাপ? খানিকটা তাই। যেকোনো কাজের পুরষ্কার হলো কাজের পরে যে সফলতা- তার তৃপ্তি। আপনি কোনো কাজ শুরুর আগে যদি সেটা নিয়ে বলতে থাকেন, মানুষ উৎসাহ দেয়ার জন্য প্রশংসাসুলভ কথা বলবে। আর কাজ না করেই কাজ শেষ করার তৃপ্তি পাবেন। ফলে যা হবে, কাজ করা আর না করার মধ্যে তৃপ্তির যে পার্থক্য তা কাজটা শুরু করে শেষ করার জন্য আপনাকে উৎসাহিত করতে যথেষ্ট না।

আমি অনেককেই দেখি ব্লগে এসে দেশের এই করে ফেলে সেই করে ফেলে। অনেক পরিকল্পনা। কিছু মানুষ এসে উৎসাহ দেয়। আমার মনে পড়েনা সফল হতে খুব বেশি কিছু দেখেছি। তার মানে এই না যে, যে মানুষটি দেশের জন্য কিছু করতে চেয়েছিল তার দেশ প্রেম কম- শুধু ভুল পন্থা অবলম্বন করার কারণে উৎসাহ চলে যায়। তাই আমাদের কাজ হবে, কখনও কিছু করতে চাইলে (নিজের জন্য, দেশের জন্য বা দশের জন্য), তা করে মানুষকে বলা অথবা কাজ শুরু করে মানুষের কাছে বলা যাতে মানুষ ঐ কাজে সাহায্য করতে পারে। কাজ শুরুর আগে বললে তা কখনও হয়না। একই কথা রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রেও খাটে। শুধু তাদের মুখের কথার উপরে বিশ্বাস করে সবাই বাহবা হাত তালি দেয়। কাজের কাজ কিছু করার দরকার নেই। তাই আর কখনও হয়না। নিচের কবিতাটা বোধ হয় এই মুহূর্তে সবার মাথাতেই এসে গেছে:

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,
কথায় না বড় হয়ে কাজের বড় হবে।



রেফারেন্স অথবা আরো তথ্যের জন্য:
Click This Link
http://sivers.org/zipit
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:২৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

শরিয়াতন্ত্রের নিষ্ঠুরতা, ধর্মীয় উগ্রবাদ ও নৈতিক দেউলিয়াপনা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৭


পৃথিবীজুড়ে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা বাড়ছে। এই বিদ্বেষ শুধু ইসরায়েল বা তার পৃষ্ঠপোষক ডানপন্থী দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কানাডার মতো তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী এবং ফিলিস্তিনের প্রতি জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন থাকা আয়ারল্যান্ডের মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×