somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুতুলের পর্দা পুষিদা

১৫ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুক্রবার বিকাল ৬টায় পৌছতে হবে জাহিদ ভাই এর ওখানে। ৫:৪৫ এ গাড়ি থেকে নামলাম শাহবাগ মোড়ে। হেটে যেতে হবে ধানমন্ডি তিন নাম্বার রোডে জাহিদ ভাই এর অফিসে। নামার কিছুক্ষনের মধ্যে জাহিদ ভাই এর ফোন । আসতে আর কতক্ষন? আমি বল্লাম, এখনো নামায পড়িনি । নামায পড়েই আপনার ওখানে চলে আসছি।


আমি আজিজ সুপার মার্কেট কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম। চা দোকানটা দেখে মনে হল- আগে চা খেয়ে তারপর নামাযে যাই। তৃপ্তির সাথে চা খেলাম।

নামায শেষ করার পরই জাহিদ ভাই এর ফোন । জাহিদ ভাই কিছুক্ষনের জন্য বাইরে যাচ্ছেন । তাই মিটিং পিছিয়ে করা হল সাতটায়। ডেপলপারদের এই এক সমস্যা ক্লাইন্টরা কোন কথা বললে, না করতে পারে না। তার সময় যত মূল্যবান হোক না কেন?

এই সময় কি করা যায়, বের করলাম কিছু কাজ তো করা যায় ।যেমন- "অপার বাস্তব" কেনা,তারপর এলিফ্যান্ট রোড এর শার্ট এর দোকান গুলোতে ঢুকে এসির হাওয়া খাওয়া।

অনেক কষ্টে খুজে বের করলাম ছাপাকল এর দোকান যেখানে একমাত্র অপার বাস্তব পাওয়া যায়। কিন্তু এখন আর ছাপাকল আগের জায়গায় নাই। পাশের দোকান থেকে মোবাইল নাম্বার নিয়ে চেষ্টা করেও কোন লাভ হল না। ছাপাকল এর ঠিকানা না পেয়ে অগত্যা চলতে থাকলাম মার্কেটের এসি হাওয়া খেতে । পকেটে টাকা আছে মাত্র পাঁচশ। যদি কোন শার্ট ভীষন পছন্দ হয়ে যায় তাহলে পাঁচশত টাকা কাজে লাগতে পারে।

এলিফ্যান্ট রোড এর দোকান গুলোতে এখন চলছে ডিসকাউন্ট এর জয় জয়কার । তাই দোকানের জামাগুলো দেখছি আগ্রহ ভড়ে। একটি দোকানে গেঞ্জি দেখলাম খুব সুন্দর কিন্তু দাম অত্যন্ত চড়া পাঁচশত টাকায় হবে না।(আম্মাআআ) দোকানের সেলসম্যান ছেলেটি স্যার, স্যার করছে দেয়ার জন্য। কিন্তু উপায় নেই তাই বললাম- "তোমাদের কাছে এর চেয়ে ভাল গেঞ্জি নাই।"

এর পর আরেক দোকানে ঢুকেই চোখ ছানা ভরা। দুইটা পুরুষ পুতুলকে নেংটা করে রাখা হয়েছে। ভাগ্য ভাল সেগুলোকে পেপার দিয়ে পর্দা করানো হচ্ছে।

শেষ পর্যন্ত গেলাম আরেক দোকানে । দেখলাম ,এক ক্রেতার খপ্পরে পড়েছে এক পুরুষ পুতুল। ক্রেতার পুতুলের পরনের জামাটিই পছন্দ হয়েছে তাই বিক্রেতাকে অগত্যা পুতুলের শরীর খালি করে জামাটি দিতে হল।ভাগ্য ভাল ক্রেতার পুতুলের পরিহিত প্যান্টটি পছন্দ হয়নি।
আচ্ছা, এভাবে যদি কোন মহিলা পুতুল কোন ক্রেতার খপ্পরে পড়ে তাহলে কি হবে?

অবশেষে সাতটা বাজার আর বাকী থাকল না, পাশা নামের ছেলেটি হাটা ধরল ধানমন্ডির দিকে.....।

১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছোট গল্পঃ ভ্রম

লিখেছেন সামিয়া, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩



চোখ বন্ধ করলেই আমি ধোঁয়া দেখি। ঘন, ধূসর ধোঁয়া। যেন কেউ ভেজা কাঠ জ্বালিয়েছে। তার সঙ্গে মিশে থাকে পোড়া কাপড়ের গন্ধ। কখনও মনে হয় প্লাস্টিক, কখনও মনে হয় পুরোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় আমি ভালোবাসি

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

পাহাড় আমি ভালোবাসি
...........................................



চললাম তবে তোমার সাথে,
হাতটি রেখে হাত বাড়াতে।
পিছুটানের বাঁধন ছিঁড়ে,
হারাবো ওই মেঘের ভিড়ে।

পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি,
শুনছো ! তোমায় ভালোবাসি।
চলবে নদী আপন বেগে,
নতুন কোনো আশার মেঘে।

ইচ্ছেগুলো পাক না ডানা,
আজকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

"তোমরা আমাদের মানুষদের কেন খুন করলে?"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:০১

জাপানের মানুষেরা আজও বুঝতে পারে নাই, কেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের এভাবে হত্যা করা হলো। সেই দেশের মুরুব্বীরা এখনো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফেরেন। আক্ষেপ করেন। আমার বোনের জামাই জাপানে পোস্ট ডক... ...বাকিটুকু পড়ুন

শত্রুর শত্রু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:১৪

উগ্রবাদী আর উদারবাদী, দুটি ইসলামই একই রাজনীতি করে। তাবলীগ জামাতের লোকটি মাঠে এসে বলে মেয়েদের ফুটবল হারাম। তারপর বিশ্বকাপে সৌদি আরবকে সমর্থন করে রাস্তায় নামে। এই দুটি আচরণ পরস্পরবিরোধী নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×