আমি আজিজ সুপার মার্কেট কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম। চা দোকানটা দেখে মনে হল- আগে চা খেয়ে তারপর নামাযে যাই। তৃপ্তির সাথে চা খেলাম।
নামায শেষ করার পরই জাহিদ ভাই এর ফোন । জাহিদ ভাই কিছুক্ষনের জন্য বাইরে যাচ্ছেন । তাই মিটিং পিছিয়ে করা হল সাতটায়। ডেপলপারদের এই এক সমস্যা ক্লাইন্টরা কোন কথা বললে, না করতে পারে না। তার সময় যত মূল্যবান হোক না কেন?
এই সময় কি করা যায়, বের করলাম কিছু কাজ তো করা যায় ।যেমন- "অপার বাস্তব" কেনা,তারপর এলিফ্যান্ট রোড এর শার্ট এর দোকান গুলোতে ঢুকে এসির হাওয়া খাওয়া।

অনেক কষ্টে খুজে বের করলাম ছাপাকল এর দোকান যেখানে একমাত্র অপার বাস্তব পাওয়া যায়। কিন্তু এখন আর ছাপাকল আগের জায়গায় নাই। পাশের দোকান থেকে মোবাইল নাম্বার নিয়ে চেষ্টা করেও কোন লাভ হল না। ছাপাকল এর ঠিকানা না পেয়ে অগত্যা চলতে থাকলাম মার্কেটের এসি হাওয়া খেতে । পকেটে টাকা আছে মাত্র পাঁচশ। যদি কোন শার্ট ভীষন পছন্দ হয়ে যায় তাহলে পাঁচশত টাকা কাজে লাগতে পারে।
এলিফ্যান্ট রোড এর দোকান গুলোতে এখন চলছে ডিসকাউন্ট এর জয় জয়কার । তাই দোকানের জামাগুলো দেখছি আগ্রহ ভড়ে। একটি দোকানে গেঞ্জি দেখলাম খুব সুন্দর কিন্তু দাম অত্যন্ত চড়া পাঁচশত টাকায় হবে না।(আম্মাআআ) দোকানের সেলসম্যান ছেলেটি স্যার, স্যার করছে দেয়ার জন্য। কিন্তু উপায় নেই তাই বললাম- "তোমাদের কাছে এর চেয়ে ভাল গেঞ্জি নাই।"

এর পর আরেক দোকানে ঢুকেই চোখ ছানা ভরা। দুইটা পুরুষ পুতুলকে নেংটা করে রাখা হয়েছে। ভাগ্য ভাল সেগুলোকে পেপার দিয়ে পর্দা করানো হচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত গেলাম আরেক দোকানে । দেখলাম ,এক ক্রেতার খপ্পরে পড়েছে এক পুরুষ পুতুল। ক্রেতার পুতুলের পরনের জামাটিই পছন্দ হয়েছে তাই বিক্রেতাকে অগত্যা পুতুলের শরীর খালি করে জামাটি দিতে হল।ভাগ্য ভাল ক্রেতার পুতুলের পরিহিত প্যান্টটি পছন্দ হয়নি।
আচ্ছা, এভাবে যদি কোন মহিলা পুতুল কোন ক্রেতার খপ্পরে পড়ে তাহলে কি হবে?
অবশেষে সাতটা বাজার আর বাকী থাকল না, পাশা নামের ছেলেটি হাটা ধরল ধানমন্ডির দিকে.....।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


