somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আশির্বাদ নাকি অভিশাপ!

২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের বেপরোয়া গতি থামানোর কোন উপায় আপাত: নেই। কারণ সরকার চাইছে এধরণের হত্যাকান্ড চলুক। ফলে RAB দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে মানুষ হত্যায়। আর এতে দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছে বহির্বিশ্বে। ২৩ অক্টোবর, ২০১০ বরগুনায় আরও দুইজনকে হত্যা করেছে র‍্যাব (RAB)। নিহতরা হলেন বাগেরহাটের মংলা উপজেলার মানিক ডাক্তার (৪৫) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০)। সূত্র-বিডিনিউজ২৪। এনিয়ে বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের সংখ্যা দাঁড়ালো ২১৯ এ। একটি অসমর্থিত সূত্র মতে, ২০০৪ সালে RAB প্রতিষ্ঠার পর হতে এ পর্যন্ত প্রায় সাত হাজার মানুষ নিহত হন র‍্যাবের হাতে। তবে এই তথ্যের সরকারি বা বেসরকারি কোন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
সূত্র জানায়, দেশে যত গুপ্ত হত্যা, অপহরণ, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয় বা হচ্ছে এসব হত্যাকান্ড ঘটছে র‍্যাবের হাতেই। এক্ষেত্রে বিএনপি নেতা ও র‍্যাব কর্তৃক ঢাকার ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলমের অপহরণ (অদ্যাবধি নিখোঁজ) ঘটনার উদাহরণ দেয়া যায়। এসব গোপন হত্যাকান্ড ঘটিয়ে র‍্যাব জাতির কাছে তাদের প্রয়োজনীয়তার কথা জানাতে চায় পরোক্ষভাবে। কিন্তু ধারাবাহিক বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের পরও বাংলাদেশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, খুন, ধর্ষণ, মস্তানি, টেন্ডারবাজি, এসিড সন্ত্রাস কমেনি মোটেও। অন্যদিকে ইভটিসিং উদ্বেগজনকহারে বেড়েই চলেছে। বাড়ছে গণপিটুনিতে মানুষ হত্যা। আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থার কারণেই মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে বাধ্য হচ্ছে। শুধু তাই নয়, RAB এর বিরুদ্ধেও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠছে প্রতিনিয়ত। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ, সহনশীলতা, সর্বস্তরে গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চা ও জবাবিদিহতা ছাড়া বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড সমস্যার সমাধান দিতে পারবে না। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতির সর্বগ্রাসী সমস্যা সমাধানে আগে চাই রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন। এছাড়া সমস্যা-সংকট বাড়বে বৈ কমবে না। অনুগ্রহ করে আরও বিস্তারিতভাবে পড়ুন নিচের লিংকে: http://www.eurobangla.org/?p=1149
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×