সেই প্রথম বার; পাাশের বাড়ি (অনেকের ই বোধহয়)। তার পর চাচীকে শাশুড়ি রূপে কল্পনা; এবং মেয়েটিকে বলতে না পারা। একদিন তার হঠাৎ করেই তার বড় হয়ে ওঠা। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় নয়; সমর ক্ষেত্র, সংসার! অন্য অনেক জানা ঘটনার মত।
মা ছোটবেলায় বলেছিল; নানীমা আজকে আকাশের তারা হয়ে গেছে। বয়স হয়ে গেলে সবাই আল্লাহে কাছে চলে যায়। আর আল্লাহ তাদের প্রিয় বান্দাদেরকে নাকী তারা বানিয়ে দেয়। এখন আর বিশ্বাস করি না। কিন্তু যখন নানীমার হাতের পেয়ারার জেলীটার সুবাস মনে আসে, জিহবাটা রসে ভরে যায় , তখন আকাশের দিকে একবার তাকাই! জেলীর মধ্যে দিয়ে নানীমার ভালোবাসা হাতে না আসার কষ্টে! অন্য অনেক জানা ঘটনার মত।
ফুটফরমায়েশ খাটত পাশের বাসার আবুল ভাই। সারাদিন ই তাকে একটি শ্যাওলা সবুজ রঙের শার্ট পড়তে দেখতাম। অমলিন হাসি আর মোটা লেন্সের চশমা'র বয়োঃবৃদ্ধ আবুল ভাই, সন্ধ্যার রাজা সে। অসাধারন পুঁথি পড়তো, গল্প- ব্যাপার! যেন জীবন্ত ঠাকুরদার থলে। সিড়ির ঘরের টিমটিমে বাল্বের আলোয় মোটা লেন্সের চোখগুলো চকচকে হয়ে উঠতো তার। বড় হয়ে তার আরেকটা নাম দিতে ইচ্ছে ছিল- ডন কুইক্সোট। হা হা! তার আগেই সে চলে গেল। গ্রামে নাকী তার বাড়িতে মেয়ে মারা গেছে! কে জানে! একদিনের জন্য ও তো তাকে এলাকা ছাড়তে দেখি নাই। বড় হয়ে বুঝি, কেন ছিলো তার চলে যাওয়া। জীবনটাই সবচ্ বে;ড় ফাইট! অন্য অনেক জানা ঘটনার মত।
আজ তো প্রেমিক-প্রেমিকা দিবস! চখা-চখির এই বাণিজ্যিকরনের সময়ে তোমাদের কথার কী আর বেইল আছে!? তবুও বল্লাম। তোমাদের ূব মিস করি, অনেক! চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়; তবে এর মানে আসলে কী? হারিয়ে যাওয়া আর খুজে না পাওয়া?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


