somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টুনু চাচার টুনটুনি রহস্য

০২ রা মে, ২০১৫ রাত ১১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টুনু চাচার সাথে রোজ দেখা হয়। বাজারে যে নতুন চা স্টলটা হয়েছে সেখানে প্রতিদিন চা খেতে যাই। সেখানেই দেখা হয়। সাদা পাকা চুল চাচার। চোখে একটা মান্ধাতার আমলের মোটা ফ্রেমের চশমা। ভারি আমুদে লোক। আর আজগুবি সব গল্পের একেবারে যাকে বলে ডিপো।
ধোয়া উঠা গরম চায়ে চুমুক দিয়ে প্রতিদিন দলবেঁধে শুনি চাচার সে গল্প। অবশ্য ফ্রি নয়। যারা শুনি পালা করে চাচাকে চা খাওয়াই। আজকেও শুনাবেন। কালকেই শিডিউল করা রাখা হয়েছে। আজকে শুনাবেন এক টুনটুনির গল্প। সে যেসে টুনটুনি নয়। ট্রেইলারটা কালকেই শুনিয়ে রেখেছেন। কোন আমলে নাকি চাচা স্টেশনমাস্টারের কাজ করেছেন। আর সেখানেই সে আজব পাখিটার দেখা পান তিনি। সে পাখি অবশ্য কথা বলেনা। গণক পাখিও নয়। আলিফ লায়লার মত মন্ত্র আওড়ালে যাদুও হয়না তাও আজব পাখি। চাচার মতে 'খালি আজব নয় ! সে এক মারকুটে আজব'।

অবশ্য গল্প শুনার পর আমার কাছে পাখিটার চেয়ে রহস্য লেগেছিলো অন্যকিছু। যাহোক সে কথা পরে বলি । টুনু চাচার সে মারকুটে আজব পাখির গল্প শুনার কৌতূহলে রাতে ভাল ঘুমাতেও পারিনি। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দু পাতা ইংরেজি রচনা বাবাকে জোরে জোরে শুনিয়ে মার ডিবে থেকে ৫টাকার একটা নোট নিয়ে সোজা ছুট । চাচা এলেন সাতটায়। পশ্চিম পাশে যে নড়বড়ে সাড়ে তিনপেয়ে টুলটা তার বা পাশে একটা হাত ভাঙা কাঠের চেয়ার। এটাই হল চাচার বিশেষ আসন। আমাদের চা খাওয়া ততখনে শেষ। চাচার ধুয়ো উঠা চা প্রস্তুতই ছিল।
চেংড়া বাক্কু চা দিয়ে গেঁজো দাঁত গুলো দেখিয়ে বলল , কাহা টুনটুনি ফইকের গপ্পটা ইস্টার্ট দেন । চাচা মাথা নাড়েন।
চায়ে সুড়ুৎ করে একটা চুমুক দিয়ে বলেন , গল্প না , গল্প না।
এগুলো হল স্মৃতি। হু ! যাক স্মৃতিই। তাই সই । আমরা মেনে নিয়ে। চোখেমুখে কৌতূহল নিয়ে হা করি তাকিয়ে থাকি চাচার দিকে।

চায়ে শেষ চুমুকটা দিয়ে ওনি দাড়িতে হাত বুলান কিছুক্ষণ। চশমাটা খোলে অযথায় পাঞ্জাবীর খুটে মুছে আমার চোখে দেন। তারপর শুরু করেন গল্প থুক্কু স্মৃতি । চাচার আত্মস্মৃতি।
: বাড়িতে দুবেলা ভাতের খোটা সইতে না পেরে শেষমেশ চেয়ারম্যানকে ধরে বারো টাকা বেতনে পোস্টমাস্টারের চাকরিতে ঝুলে পড়ি। আমার দায়িত্ব পড়ে আমিরগঞ্জ। এখন যেমন লোকে গিজগিজে , দোকানপাট আর কয়েকটা পরপর ট্রেন আসার হিড়িক দেখিস তখন তেমন ছিলনা। স্টেশনটার চারপাশে ছিল অনেকটা দূর জোড়ে ধানি জমি। রেলসড়কটা উঁচু হয়ে চলে গেছে সেই ধানিক্ষেতের মাঝ দিয়ে। আর স্টেশন বলতে একটা কুড়ে। আর যাত্রীদের বসার জন্য একটা ছাউনি। ট্রেন আসতো দুবেলা। একটা সকাল সাড়ে ছটায় আরেকটা রাত দেড়টায়।
চাচা এবার থামেন। পাঞ্জাবির উপর কোত্থেকে উড়ে যেন এক টুকরো খড় পড়েছিল। সেটাকে বেশ দু আঙুলে ধরে গড়িমসি করে শেষটায় ফু দিয়ে ঝেড়ে ফেলেন। আবুল মিয়ার কপাল কুচকে আছে। আজকে তার ঘাড়েই পড়েছে চায়ের বিল। যত গড়িমসি তত বেশি কাপ চা। চাচা অবশ্য দ্বিতীয় কাপটা এখনই চাননা। ওনি আবার শুরু করেন ,
: কর্মচারী ছিলাম আমিসহ তিন। একটা বারো তেরো বয়সী ছেলে আর একজন আমারই বয়সী।অবশ্য এরা ঠিক রেলের সাথে সম্পৃক্ত নয়। স্টেশন মাস্টারের ঘরটাই আবার ডাকঘর হিসেবেও ব্যবহৃত হত। আমার বয়সী অর্থাৎ হাশেম মিয়া ছিল পোস্টমাস্টার। আর আনুর কাজ ছিল চিঠিপত্র যাচাই করে আগুনে গালা গলিয়ে সিল করে দেওয়া।
মূল ঘটনা মনে হয় মাঘের শুরুর দিকে । শীতটা নেমেছিল বেশ ঝেঁকে সেবার। কুয়াশাও সেইসাথে পাল্লা দিয়ে। একদিন হাশেম মিয়ার বাড়ি থেকে চিঠি এল তার মা ভারি অসুস্থ। এখন যায় তখন যায় অবস্থা। চিঠি পেয়ে হাশেম পড়ল ভারি বিপাকে। সে সদ্য দুদিন ছুটিয়ে কাটিয়ে এসেছে সপ্তাহখানেকও হয়নি। এদিকেও আনুরও সেদিন এলো ঝাঁকিয়ে জ্বর। শেষমেশ চিঠিপত্রর কাজ আমাকে বুঝিয়ে দিয়ে তিনি সকালের ট্রেনে চড়ে বসলেন।বলে গেলেন , অবস্থা ভাল হলে দুদিন বাদেই ফিরে আসবেন। আনু জ্বর নিয়েই চিঠিপত্র সিল-গালা করে সন্ধ্যা হতেই চাদর মুড়ি দিয়ে শোয়ে পড়ল। এমনিতেও আমার দেড়টায় উঠতে হয়। ভাবনা কি । আজ কেবল চিঠির বোঝাটা তুলে দিতে হবে এইযা। কুড়েটার একপাশেই হাশেম মিয়ার বিছানা। ভাবলাম এখানেই গড়িয়ে নিই।
গল্পটার এখানে এসে চাচা আবার চুপ।হাসি হাসি মুখ করে আবুল মিয়ার দিকে তাকিয়ে সাদা দাড়িতে হাত বুলাতে থাকেন । এর অর্থ , দ্বিতীয় কাপটা না এলে গল্পটা আর এগোবেনা। আবুল মিয়া অগত্যা আরেক কাপের অর্ডার দেন। চায়ের কাপে বোধহয় কোন চিনির বয়াম থেকে একটা মরা পিঁপড়ে পড়েছিল। আঙুল দিয়ে আলগোছে প্রথমে সেটাকে তুলে ঝেড়ে ফেলেন। তারপর চোখ বন্ধ একটা লম্বা চুমুক।
আধ-খাওয়া চায়ের কাপটা টেবিলে রেখে তারপর মুখ খোলেন ,
: চোখ ঠিক কখন লেগে এসেছিল বুঝতে পারিনি। ট্রেনের হুইশেলে ঘুম গেল ছুটে। হুড়মুড় করে উঠে চিঠির ঝুলোটা আর টেবিলে রাখা লন্ঠনটা রেখে বাইরে বেরোলাম। ট্রেন এসে মাত্র দাঁড়িয়েছে।কোন যাত্রী নেই।মাঝে মাঝে যে দু একটা থাকে এই তীব্র শীতে বুঝি তাদেরও ট্রেন চড়ার সাধ মিটেছে। আমি মেইল বগির দিকে এগিয়ে গেলাম। হাশেম মিয়া চাবি দিয়ে গিয়েছিল। চিঠির বোঝাটা নির্দিষ্ট জায়গায়ে রেখে আবার তালা দিয়ে ফিরতেই কে যেন ডাক দিল ,
: টিকিট সাহাব ..টিকিট সাহাব !
একেতে হাতে কেবল একটা লন্ঠন । সেটা দিয়ে এমনিতেই দুহাতের বেশি দেখা যায়না। তার উপর আবার ঘন কুয়াশা ।
আমি হাঁকলাম ,
: কে ? কে কথা কয় ?
: আমি সাহাব। একটু ইদিকে আইবেন ? বড় বিপদে পড়েছি ।
আমি আর কথা না বাড়িয়ে এগোলাম সেদিকে। যাত্রী ছাউনিতে ছায়ার মত দেখা যাচ্ছে। কাছে গিয়ে লোকটার চোখের কাছে লন্ঠনটা ধরতেই দেখলাম। একটা হাড় হিড়হিড়ে কঙ্কালসার একটা লোক। মুখে কাচা পাকা গোঁফ দাড়ি। চোখ দুটো যেন প্রায় গর্তে বসে গেছে। পিটপিট করে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
: একটা টিকিট দেবেন সাহাব ? কিন্তু পয়সা নাই আমার। এই পাখিটা নিয়া যদি দিতেন ?
ভারি অদ্ভুত লোক। মাঝ রাত্রে খাঁচায় একটা টুনটুনি পাখি নিয়ে এসেছে টিকেটের জন্য। লোকটা বেশ বৃদ্ধ। কেমন যেন মায়া হল দেখে।
বললাম , কোথায় যাবেন ?
উত্তর এলোঃ দেন একটা । এ গাঁও ছাড়তি পারলেই অয় ।গাঁওয়ের মাইনসে দেখতে পারেনা আমারে।ফইক টইক নিয়া থাকি। তাই কয়, পাগল। আইজকা সব ফইক নিয়া গেল। আমি এইডা নিয়া পলাইয়া আইলাম। দিবেন সাহাব একটা টিকেট?
ট্রেন হুইশেল দিচ্ছে। দ্রুত একটা টিকিট এনে লোকটাকে ট্রেনে তুলে দিয়ে লন্ঠনের আলোয় পতাকাটা ঝাঁকাতেই ট্রেন ছেড়ে দিল। ফেরার সময় খাঁচাটা চোখে পড়ল। যাত্রী ছাউনির টুলের এক কোনায় রেখে গিয়েছে। পাখিটার কোন সাড়া পাচ্ছিনা।
লন্ঠনের আলোয় ধরতেই দেখলাম এককোনে জবুথুবু হয়ে চোখ বোজে দাড়িয়ে আছে একটা টুনটুনি।
ভাবলাম কাল সকালেই ছেড়ে দেব এটা ।খাঁচাটা এনে ঘরের একটা কোনায় ঝুলিয়ে রাখলাম। একেতো হাড় শিরশিরে মাঘের শীত। মোটা কম্বল দিয়ে জুতজুত করে শুয়েই ভাবলাম এক ঘুমেই রাত কাবার হয়ে যাবে। সকালে উঠে দেখব আকাশ ফকফকা। কে জানে সূর্য উঠবে কিনা ? সে উঠুক আর নাই উঠুক , কুয়াশার পুরো চাদর ভেদ করে দশটা এগারোটা নাগাদ তো একবার উঁকিঝুঁকি মারবেই।
কিন্তু সে আর হলো কই ?
তখন রাত আনুমানিক তিনটা কি সাড়ে তিনটা হবে।চোখদুটো যেন আপনিই খোলে গেল। সেইসাথে ঘুমের রেশও যে কোথায় হারাল কে জানে ? খুটখুট কিসের যেন একটা শব্দ হচ্ছে। একটানা নয় । থেমে থেমে। দরজায় কেউ ধাক্কাচ্ছে নাকি ? তাইতো !
টেবিলে তখনও লন্ঠন জ্বলছে। আলো কমিয়ে রেখেছিলাম। ঘরটা জোরে আবছা আবছা আলো। আলমারি ,টেবিল ,চেয়ার আর টেবিলে রাখা জগটার ছায়া লন্ঠনের কাঁপা আলোয় ধাপিয়ে চলেছে। এই কনকনে শীতে কম্বল থেকে বেরোতে ইচ্ছে করছিল না। তাছাড়া চোর ছেঁচরও হতে পারে।
বিছানা থেকেই আমি হাঁকলাম ,
: কে ? দরজা ধাক্কায় কে ?
: আমি সাহাব !
কণ্ঠটা শুনেই কেমন যেন আতকে উঠলাম। বৃদ্ধ একটা কণ্ঠস্বর।আর খুব পরিচিত ঠেকল আমার কাছে।
: আমি কে ? নাম বলুন ? সাহস করে কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম আমি ।
উত্তর এলঃ আমি সাহাব। সেইযে দেড়টার টেরেনের সময় আপনার সাথে দেখা হল। আমার পাখি নিয়া টিকেট দিলেন ?

চাচা আবার চুপ করে গেলেন। আমাদের সবার মুখ হা হয়ে আছে। চাচা পাখি নিয়ে যে লোককে টিকেট দিয়েছিলো সে দু ঘন্টার মধ্যেই আবার ফিরে এলো কিভাবে ? কৌতূহল সবার এতটাই বেড়ে গেছে যে আবুল মিয়া চাচা থামার সাথে সাথেই চায়ের অর্ডার দিয়ে দিয়েছে। চায়ের কেটলির পাশে একটা ধুয়োয় কালো হয়ে যাওয়া টুলে বসে হ্যাঁ করে গল্প শুনছিলো চা ওয়ালা।
সে দ্রুত হাতে লেগে গেল চা তৈরিতে। এক মিনিটের মধ্যেই ধূয়া উঠা গরম গরম এক কাপ এসে গেল টুনু চাচার হাতে। সেটা নিয়ে এবার দু পা চেয়ারে তুলে আরাম করে বসলেন তিনি।
একটা চুমুক দিয়েই আবার গল্প শুরু করলেন ,
: আতঙ্কে আমি কেমন যেন জমে গেলাম। এই শীতের রাত্রেও ঘামে প্রায় গোসল করে ফেলেছি। কম্বলটা গা থেকে ঝেরে ফেললাম। তারপর কেমন যেন মন্ত্রমুগ্ধের মত উঠে গেলাম দরজায়। দরজা খোলতেই দেখলাম সেই বৃদ্ধটা দাড়িয়ে আছে। সে এক বীভৎস অবস্থা। সারা গায়ে তার চাপ চাপ রক্ত। মাথার সাদা চুল ভিজে লাল। আমাকে দেখে যেন একটু হেসে উঠল ।
তারপর বলল ,
: টিকিট সাহাব টেরেন তো আমারে ফালাইয়াইয়া চইল্লা গেল। টিকিট তো কামেই লাগল না। দেন দেখি আমার পাখিটা।
আমি ততক্ষণে পাথর হয়ে গেছি। লোকটা আমার পাশ কাটিয়ে ঘরে ঢুকে পড়লো। খাঁচাটা যেখানে রেখেছিলাম সেখানটা কেমন অন্ধকারেই ঠাওরে নিল।
তারপর ঠিক কি হয়েছিলো সম্পূর্ণ মনে নেই।

সকালে ঘুম ভাঙলো লোকজনের শোরগোলে।
স্টেশন জোরে বেশ মানুষ জমে গেছে। ব্যাপারটা কি জানার জন্য উঠে বাইরে গেলাম। লোকজনের মুখে হা হুতাশ। একটা শব্দ একটু পরপর কানে আসছে ,'ট্রেনে-কাঁটা' ।
আনুর দেখলাম জ্বর সেড়ে গেছে। তাকেই জিজ্ঞাসা করলাম , কি হয়েছেরে আনু ?
: স্যার একটা লোক মারা গেছে।
ট্রেনের বারি খাইছিলো মনে হয়। মাথা ফাইট্টা দু ফাঁক! হাঁতে আবার পানের ডগায় গাথা চুন । খাইতে নিছিলো মনে হয় ।
আমার মাথাটা কেমন উলটপালট হয়ে গেল। দ্রুত ঘরে ঢুকে গেলাম। টেবিলটার পাশে চাদর দিয়ে আড়াল করা যে আলনাটা।
তার কিনারেই ! হ্যাঁ ওটার কিনারেই ছিলো পাখির খাঁচাটা। এখন নেই। খাঁচাও নেই ,পাখিও নেই।
আমি আর দাড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না। ধপ করে একটা টেবিলে বসে পড়লাম। কল্পনা করতে চেষ্টা করলাম একটা দৃশ্য ।
ভয়ঙ্কর বীভৎস একটা দৃশ্য । লোকটা ট্রেনের দরজায় এসেছিলো পানের পিক ফেলতে। আর সেখান থেকে পা হড়কে পড়ে মৃত্যু !
কিন্তু কালকে রাতে তাহলে কে এসে আবার পাখিটা নিয়ে গেল ? তাহলে কি মৃত্যুর পর ভূত হয়ে লোকটা এসেছিলো টিকেটের মূল্য ফিরিয়ে নিতে ?
নাকি সেটা ছিল আমার কোন ভুল ! কোন আজগুবি স্বপ্ন !

হা হয়ে শুনছিলাম এতক্ষণ। সত্য কি মিথ্যা জানিনা। কিন্তু গল্প শেষ করার পর চাচাকে কেমন উদাস মনে হল। কত আজব ঘটনাইতো ঘটে পৃথিবীতে! কে জানে এটাও হয়তো তেমন কোন ঘটনা। যেটা রহস্য থেকে শুরু রহস্যেই শেষ!
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×