
এ বিশ্বে দিবসের কোনো শেষ নেই। ডিম নিয়েও আছে একটি দিবস। আজ সেই দিন, ‘বিশ্ব ডিম দিবস’
বিশ্বের অন্য দেশের মত আমাদের বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। দেশের পোলট্রি খাতের সংগঠনগুলোর সম্মিলিত জোট বাংলাদেশ পোলট্রি শিল্প সমন্বয় কমিটি পালন করছে দিবসটি। আর তাদের এবারের স্লোগান, ‘বাঙালি হবে স্বাস্থ্যবান, প্রতিদিন ডিম খান’
প্রতিবছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হয় 'বিশ্ব ডিম দিবস'। এই ডিম দিবসের বয়স কিন্তু কম না। সুত্রে মতে গত ১৯ বছর ধরে নাকি দিবসটি বিশ্বের ৬০টি দেশে পালিত হচ্ছে। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন(আইইসি)। সংস্থাটির উদ্যোগে ওই বছর থেকেই ডিম দিবস পালিত হয়ে আসছে। বিশ্বব্যাপী ডিমের চাহিদা প্রতিবছরই বাড়ছে। গত ৪০ বছর বিশ্বে ডিম খাওয়ার পরিমাণ বেড়েছে তিন গুণ। নিউজে দেখলাম এগ কমিশন বলছে, ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী ডিমের চাহিদা মেটাতে ৭ কোটি ৯ লাখ টন ডিমের প্রয়োজন হবে।
যাই হোক, এবার ডিম নিয়ে কিছু কথা...
- ডিম আগে নাকি মুরগী আগে?
এ নিয়ে একটা প্যাচ সময়ই লেগে থাকে
- ডিম শুধু খাওয়াই হয় না, ডিম ছুড়ে মারা কাজে ব্যবহৃত হয়।
সেখানে পচা ডিম অগ্রাধিকার পায়
- এছাড়া পুলিশি রিমান্ডে ডিম থেরাপী দিতে ডিমের ব্যবহার অনস্বীকার্য
- ডিম নিয়ে আমাদের দেশে বেশ ভালো রকমে একটা কুসংস্কার আছে, ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি, ডিম খেলে নাকি পরিক্ষায় ডিম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই কুসংস্কার এর জন্য অনেকে ডিম খান না পরিক্ষার আগে। অবশ্যই আমিও তখন একবার খাইনি
সর্বশেষ, বাংলাদেশে মেস, হোস্টেল আর আমাগো মতন ব্যাচেলরদের বাচিয়ে রাখার জন্য ডিমের অবদান লিখে শেষ করা যাবে না
পরিশেষে,
সবাইকে বিশ্ব ডিম ওরফে আন্ডা দিবসের শুভেচ্ছা
বিঃদ্রঃ- কেউ খালি মুখে যাবেন না, প্লেটে সিদ্ধ করা ডিম দেওয়া আছে একটা করে খেয়ে যাবেন
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




