খবরঃ এক বিচারপতির স্ত্রীর কাছে তাঁদের দুই সন্তানের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য ঘুষ দাবি করায় পুলিশের এক এএসআইকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বাহ, একেই বলে ‘পড়বি তো পড় একেবারে মালির ঘাড়ে’! তা বিচারপতির স্ত্রীর বেলায় বিচার, আর আমরা কোটি কোটি সাধারন নাগরিকের বেলায় কেন কিছু হয়না!
সাধারন পাসপোর্ট প্রার্থী সকল নাগরিকের কাছ থেকে ভেরিফিকেশনের সময় টাকা দাবি করে। না দিলে রিপোর্ট খারাপ দিবে বলে হুমকি দেয়। হয়তো জানত না তিনি উচ্চ আদালতের এক বিচারপতির স্ত্রী বলেই এএসআই এর মতো লোককে ধরা সম্ভব হয়েছে। না হলে এমন কেউ নেই যে, টাকা না দিয়ে পার পেয়েছে! পেয়েছেন কি কেউ? আমি পায়নি তাদের ঘুষ দিতেই হয়েছে!
বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক পাসপোর্ট করতে গিয়ে ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশের ঘুষ বাণিজ্যের শিকার হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল! কখনো কখনো তো এটা রীতিমত চাঁদাবাজির পর্যায়ে পৌঁছায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় এদেশের সব পাসপোর্টের আবেদনকারী বিচারপতির পরিবারের মানুষ নন। তাই কোনো ঘুষখোর পুলিশ অফিসার কখনো গ্রেফতারও হয় না!
এবার একটু ভাবুন তো, উনাদের মত লোকদের কাছে যদি পুলিশ ঘুষ চায়, তাহলে আমরা সাধারন মানুষের কাছে ওরা কি চায় ?
হাইকোর্টের কাছে প্রশ্ন রাখছি, আমাদের কাছে ঘুষ চাইলে কি এভাবে সহজে অভিযোগ উত্থাপন ও অভিযোগ আমলে নেয়া হবে? এরকম আমরা সাধারন মানুষের ক্ষেত্রে হবে কি? কাগজ- কলমে নয়, বাস্তবের কথা বলছি... এখানেই আমরা সাধারন জনগন অসহায়!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ৯:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



