কবি সাহিত্য গ্রুপ বেশ চাঙ্গা। তবে সঙ্গীহীন।কারণ কি?
নারী কবি লেখকের স্বামী আর পুরুষ কবি লেখক গন স্ত্রীর সমর্থন ছাড়াই সাহিত্য,ছবি আর সেল্ফি কর্ম যজ্ঞ চালাইয়া যাইতেছেন। দুই একটা উদাহরণ শতকারা হারের সাথে বেমানান। কবির কবিতায় প্রেম ভালোবাসা যতোই থাক।বাস্তবে অন্তসার শুন্য।বিপরীত লিঙ্গের জীবন সাথী শিল্প সাহিত্য সঙ্গীত এই বিষয় গুলিকে মানিয়া লইতে পারেন না।যদিও সম্পর্ক টিকাইবার চাপে কেউ সঙ্গি লইয়া কোন অনুষ্ঠানে আসেন,তিনি হইয়া যান ম্যা ম্যা এর তিন নম্বর কিডস। যদি কোন উদার মনের পুরুষ তাহার সঙ্গীনিকে প্রতিনিধি করিয়া কোন অনুষ্ঠানে পাঠান, তখন আয়োজকদের অতি উল্লাস নয়তো অতি অবহেলা বিব্রত কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। কোন স্ত্রী তাহার স্বামীকে নিয়া আসিলে, বেচারা পলায়ন করিতে বাধ্য হন। সবচাইতে মজার বিষয় দূর হইতে অনুদান পাঠাইলে আয়োজক গন খুশী হন। না দেখিয়া ও বন্দনা গীত রচনা করেন।
সেই যাই হোক। কাব্য চর্চা চলিতেছে বেশুমার ইহাই আনন্দের বিষয়। শুধু আসন বন্টনেই ঝামেলা সেই সাথে নীরব চাঁদাবাজি,পদ,পদক,সন্মাননা,নিয়ে ব্যাবসা।যাহাতে যাহারা পদক,সন্মাননা নিচ্ছেন তাহারাই দোষী। আয়োজক গন দুধে ধোওয়া তুলসী। সাহিত্য গ্রুপের ব্যানার দেখিয়া মনে হয়, পরিক্ষার খাতায় সারাংশর স্থলে ভাবসম্প্রসারণ লেখা হইয়াছে। ইহাকি সাহিত্যানুষ্ঠান নাকি রাজনীতির ময়দান! পড়ন্ত বয়সে উঠন্ত কবি সাহিত্যক গন ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সঙ্গীহীন।আহা সে কি ভালোবাসার ইম্পলিমেন্টাল এক্সপিরিয়েন্স।
সাহিত্যানুষ্ঠানে আজ কাল সংগীতের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়াছে।নৃত্য কলাও করিয়াছে আগ্রাসন। যা দেখিতে অসুন্দর মনে হয়।কারন যেনতেন ভাবে গান গাহিয়া,নৃত্য করিয়া সংগীত আর নৃত্য কলার অপমান করা হইতেছে।
পুর্বেই উল্লেখ করিয়াছি দুই একটা মান সম্পন্ন অনুষ্ঠান শতকরা হারে তেমন প্রভাব ফেলিতে পারেনা।
- বাবর আলী
২৭-১২-২০১৬ ইং

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



