অনুভবে তুমি,চারদিকে শুধুই শুন্যতা
জাহাঙ্গীর বাবু
কতদিন তোমার বুকের জমিনের পরশ পাওয়া হয়না
বিলি কাটিনা তোমার চুলে,
পিপিলিকা দৌড়ায়না তোমার পিঠে,তেমনিআমার ও
শুনতেপাইনা বুকের ডিপডিপ শব্দে আমায় কাছে ডাকার আহ্বান,
কতদিন তোমার চোখের জলের পদ্ম পুকুরে কাটিনা সাঁতার
কতদিন দেখিনা স্নান শেষে শুকনো কাপড়ে ভেজাচুল
মুক্তদানা শিশির বিন্দু তোমার গালে,মুখ মন্ডলে।
কতদিন প্রভাতের ঘুম ভাঙ্গেনা তোমার ঠোঁটের কোমল স্পর্শে
দুর্বা ঘাসের উপর নগ্ন পায়ে হাটিনা দু'জনে হাতে রেখে হাত
কতদিন পাইনা দুষ্টমির আদর সেভেরপর.
দুজনে,এক সাথে বৃষ্টিতে ভিজি না,
কত দিন হলো ,বৃষ্টির পানিতে দেখিনা ছলাত ছলাত নৃত্য ।
ফিরে আর আসবে না ,
ভারী বরিষণে সবুজ ধানের খেতের মাঝ দিয়ে
হাতে রেখে হাত পাগলেরমত ছুটে বেড়ানো,
অস্টাদশী আর আঠাশের যুগল বারিধারার স্নান।
কুয়াসা কাক দিকে ভোরে কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছি,
থুতনির থর থর আওয়াজে হিম হাতের স্পর্শ আজ মনে পড়ে।
প্রবাসে থেকে চোখ বুজে দেখি,
গ্রামের মেঠ পথে মৃদু হওয়ায় উড়ছে তোমার কেশ
ক'গাছি কেশ বারবার উড়ে আসে তোমারকপালে,
মনেপড়ে,পূর্নিমার চাঁদের আলোয় মেঘেরা যখন লুকোচুরি খেলা করে
তুমি শোনাতে গান,আমি শোনাতাম কবিতা।
ছোট্ট বাবুদের মতো বুড়ো বাবুর বুকের মাঝে
কিসের যেন সুখ খুঁজে বেড়াতো তোমার নাকেন্দ্রিয়।
কতদিন,কতদিন তোমাকে পাইনা কাছেএকান্তে
কতরাত আলো আঁধারির জোনাকির নিশ্চুপ কাটিয়েছিলাম
দু’জনে, দু’দেহ এক প্রাণে খুঁজেছিলাম শান্তির সোহাগের সুখপাখি।
প্রবাসীজীবন,কঠিন জীবন কাছে থেকেও দুরে বহু দুরে
কতদিন পাইনা তোমার আলিঙ্গন,
বেশি রাতে ঘরে ফিরলে করেনা কেউ অভিমান,
ফিরতে দেরী হলে কেউ বার বার ফোন করে করেনা জ্বালাতন
প্রশ্ন করেনা কেউ,কোথায়তুমি? কি করছ এতক্ষণ? আসছোনা কেন?
মনে পড়ে , হৃদয়ে উঠে কালবৈশাখীর ঝড়.
চারদিকে শুধুই শুন্যতা,খুঁজে বেড়াই , অনুভবে সারাক্ষণ শুধুই তুমি ,
অনুভবকরি তোমার স্পর্শ।
কতদিন দেখিনা তোমাকে,
প্রবাস জীবন কষ্টের জীবন। জীবন জীবিকার কাছে পরাজিত প্রবাসী
একা বড় একা,ভালবাসার কাঙ্গাল প্রবাসী একজন ।
সিঙ্গাপুর

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



