ইবাদত আল্লাহর জন্য।
প্রসঙ্গ শবে বরাত
জাহাঙ্গীর বাবু
কাউকে কষ্ট দেবার জন্য নয় ,ব্যক্তিগত মতামত ,কাউকে ছোট করার জন্য নয়.দ্বিধাদ্বন্দের জীবনে কিছুটা একপেশে ভাবনার প্রতিফলন। হয়তো ঠিক নয়তো বেঠিক।
মনের সন্তুষ্টি নিয়ে ইবাদত করতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার।হালুয়ারুটি,পটকা উৎসব নাই করলাম। সে দিন একজন এসে বিদাত আর শিরকের কথা বললেন ফেসবুকে এসে. অরে ফেসবুক ভিন্নধর্মীদের তৈরী। এটাতো বিদাত শিরক বললেন তাও এখানেই এসে.এই নিয়ে বিতর্ক নয়.ইসলামকে সহজ ভাবে উপস্থাপন করুন। বিদ্বেষ কমান।শান্তির পথ কে সহজ করুন। যত ইসলামী জ্ঞানী বাড়ছে তত বিভাজন বাড়ছে।শবেবরাতে মসজিদে উপচে পড়া ভিড়, ঘরে ঘরে ইবাদত আবহ। এটাও আল্লাহর নেয়ামত।অশান্ত পৃথিবীতে মসজিদে জিকিরে যখন আল্লাহ ,আল্লাহ,লা ইলাহা ইল্লাল লাহু মুহামদুর রাসূল আল্লাহ ,ইয়ানবী সালা মালাইকা নবীর শানে মিলাদ বা দরূদ পড়া হয় তাতে বিদাত আর শিরকের কি হলো

অন্য রাতে দিনে ইবাদত করা যায়.একটা বিশেষ দিনে -রাতে ইবাদতে মানুষ বেশি এলে ক্ষতি কি ,জানা নেই। আমি শবেবরাত উপলক্ষে ইমাম সাহেবের সাথে হাজারো প্রবাসীর সাথে একটা ভালো সময় পার করেছি কালা রাতে।দোয়া করেছি,মাফ চেয়েছি আল্লাহর কাছে।মনের সুপ্ত বাসনার কথা জানিয়েছি। তৃপ্তি পেয়েছি ইবাদতে এটাও বড় আপাতত। এখনকার স্কলারদের মতে আমার প্রয়াত মুরুব্বীগণ যারা আল্লাহ ভীরু ছিলেন সবাই বেদাতী ছিলেন ,উনারাই একমাত্র সাচ্চা মুসলিম !বাকীরা। ................আল্লাহ সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দিন.কোন পথ সঠিক ,আপাতত, আমি যেটা ভাবছি সেটাই।আপনি সঠিক পথ দেখাবেন ,সব তরিকার জ্ঞানীরা এক হয়ে আসুন ,মেনে নিব। আমি আল্লাহ আল্লাহর রাসূলকে মানি।কিছু সমস্যা আছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে পারলেই নিজেকে নিজে অন্তত মুসলিম দাবি করবো।আল্লাহ আমাকে আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা করুন।আমার জানামতে আমি কোন মানুষের এমনকি পশুর ও ক্ষতি করিনা।কারো ক্ষতি হোক ভাবিনা।কারো সাথে চালাকি প্রতারণার কথা ভাবিনা।আপনি যে আমাকে দাওয়াত দিচ্ছেন নিজের তরিকার ,নিজের মনুষত্ব্যটাকে জাস্টিফাই করে দেখেন।আর গ্রহণ যোগ্যতাটাও দেখেন।
সিঙ্গাপুর ,১২-৫-২০১৭ ইং

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০১৭ দুপুর ১:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



