somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শ্লোগানেই আগুন থাকলে ভবিষ্যতে শান্তি আসবে কি করে? :)

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শ্লোগানেই আগুন থাকলে ভবিষ্যতে শান্তি আসবে কি করে?

জাহাঙ্গীর বাবু

বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসতে আওয়ামীলীগ এর স্ট্যাম্প লাগেনা।মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে বঙ্গবন্ধুর কারাবাস যুদ্ধের প্রেরণা। সাত মার্চের ভাষণ যে পরিস্থিতিতে দিক না কেন, স্বাধীনতার ঘোষনা এ ভাষণেই হয়েছে। সম্মুখ যোদ্ধারা স্বাধীনতা এনেছে। তারা দেশের সুর্য্য সন্তান।যত কিলোমিটার রেঞ্জের রেডিও হোক না কেন, জেনারেল জিয়ার ঘোষনা পত্র পাঠ স্বাধীনতার যুদ্ধে তীব্রতা এনেছে।ক্ষিপ্রতা এনেছে। ভারতের সহযোগীতায় স্থল,জল,আকাশ পথে স্বল্প সময়ে জয় এসেছে। দেশ স্বাধীন হয়েছে। গর্বের। আমাদের আছে নিজস্ব পতাকার গর্ব। বহি: বিশ্বে আছে বাংলাদেশের স্বীকৃতি।

স্বধীনতার তিন যুগ পেরিয়ে চার যুগের পথে, বুকে রক্ত ক্ষরণ হয়, যখন শুনি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিলো ভারত পাকিস্থান যুদ্ধ।কিছু প্রশ্নের উদ্রেক করে, কেন জেনারেল অরোরার হাতে হয় পাকিস্থানের বিদায়।সে যাই হোক,স্বাধীনতা আমার।আমাদের বাংলাদেশের। আফসোস,ক্ষমতার লোভে কাদা ছুড়াছুড়ি নগ্ন খেলায় স্বাধীনতার কিংবদন্তীদের নিয়ে মিথ্যা,বানোয়াট, গল্প শোনায়,তাদের অবদান নিয়ে মিথ্যে নাটক তৈরী হয়। সন্মান হানি করাই যেন ক্ষমতা থাকার মুল মন্ত্র,জেল, জুলুম যেন ক্ষমতার ভিত শক্ত রাখার কৌশল।প্রপাগান্ডাই যেন বিশ্বাসের চিড় ধরাবার হাতিয়ার। গনতন্ত্র, স্বৈরাচারিতা মিলে মিশে একাকার।

এক সাথে জীবন বাজি রেখে যারা এনেছিলো স্বাধীনতা, সবাই বিভক্ত ক্ষমতার লোভে,রাজনিতির কুটকৌশলে। দফায় দফায় ধর্মকে দাড় করায় রাজনীতির সমরাঙ্গনে।চিড় ধরায় বিশ্বাস ভক্তিতে। সবাই মিলে দেশ এগিয়ে নিয়ে যাবার প্রত্যয়ে কি এক হবে না?

রাজনীতির লেবেল ছাড়া কি কোন প্রতিষ্ঠান চলবে না।রাজনীতি যখন পেশা,অর্থের খনি হিসাবে,বিনিয়োগের মাধ্যম হিসাবে উপনীত হয়েছে,রাজনীতি মানবতার,সেবা না হয়ে, হয়ে গেছে ব্যাবসা।বেড়ে গেছে খুন রাহাজানি,হিংসা প্রতিহিংসা।১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে আজো চলছে,হিংসার মরণ খেলা । ভাষা নিয়ে রাজনীতি শেষ না হতে ভুখন্ড নিয়ে তৎপর হলাম। দীর্ঘ আন্দোলন, জেল,জুলুম,যুদ্ধ।স্বাধীনতা এলো ষোল ডিসেম্বর।

তার পর, অতপর: আজো খুজি স্বাধীনতা বাঁচার অধিকার।স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় কোমল মতি শিশু কিশোর আজ বিভক্ত।রাজনিতির দর্শনের ধর্ষনে বিভক্ত।বিভক্ত ধর্মীয় মাঝহাব,ধর্মীয় বিশ্বাসে। বল্গার বল্গ নিয়ে খানাখুনি অনেক হয়েছে। এবার ভিডিও দিয়ে চলছে চ্যালেঞ্জ।পালটা চ্যালেঞ্জ। এ বছর নির্বাচন।তার আগেই একটা ধর্মীয় কোন্দল,খুন খারাবির পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।

আন্দোলনের প্রস্তুতি এক দিকে, অন্য দিকে ধর পাকড়তো ক্ষমতাসীনদের রুটিন কাজ।
ভোট জনগনের অধিকার।দেশ শান্ত থেকে শান্তি ময় পন্থায় নির্বাচন হবে,জনগন আনন্দ উল্লাসে ভোট দেবে। সরকার দেশ চালাবে।বিরোধী দল সরকারকে বিব্রত না করে দেশের উন্নয়নে, প্রশ্ন বিদ্ধ করে যাচাই বাছাই করে সহি শুদ্ধ করাবে। সে ভাগ্য কি এ দেশের হবে, ৭১ এর পরে হয়নি,আগামীতে আশা করা গুড়ে বালি।যে মুখে উচ্চারিত হয়েছে পাকিস্তান,তাদের গাড়িতেই ছিলো জাতীয় পতাকা।সে লজ্জার সময় পেরিয়েছে।সময় পেরিয়েছে।তাদের উত্তরসুরীদের হাতে এখন জাতীয় পতাকা,তারাও তাদের পন্থায় পালন করে ছাব্বিশে মার্চ,ষোল ডিসেম্বর।একুশে ফেব্রুয়ারী।তারা স্বীকার করে বাংলাদেশ।এটাও স্বাধীনতার বিজয়। তারা নতি স্বীকার করেছে দেশের কাছে।মাতৃভুমির কাছে।

যুদ্ধ অপ্রাধীদের শাস্তি হয়েছে।পিতার অপরাধে পুত্র অপরাধী না হলে সে পুত্রের বাঁচার অধিকার আছে। স্বাধীনদেশের কাছে বশ্যতা স্বীকার করলে জাতীয় পতাকা তাদের হাতে বেমানান নয়। পিতার অপরাধে অনেক ক্ষেত্রে জোর করে অপরাধী সাজানো হচ্ছে পুত্রকে , যা মোটেই কল্যান কর নয়। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সমঝোতার বিকল্প নেই।

হবে কি? লক্ষণ ভালো নয়।ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে যে যার মতো। হে সৃষ্টি কর্তা হিংসা,বিদ্বেষ,প্রতিশোধ এর আগুনকে পানি করে দাও। দেশ মাতা,আমার বাংলাদেশ,মায়ের আঁচলে শান্তির পরশে থাকতে দাও আমাদের।
বন্ধ হোক শ্লোগান,জ্বালো,জ্বালো, আগুন জ্বালো,একশন একশন,ডাইরেক্ট একশন।শ্লোগানেই আগুন থাকলে ভবিষ্যতে শান্তি আসবে কি করে?

সিঙ্গাপুর
৭-২-২০১৮ ইং
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×