জাহাঙ্গীর বাবু

ছি: চেতনা ছি:! করছি আমরা কি?
বলছি আমরা কি,দেখাচ্ছি আমরা কি
ইতিহাস আসলে ক্ষমা করবে কি?
ভাষা দিবস নিয়ে কৌতুক হচ্ছে !
একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে কেন হচ্ছে ?
বাবর আলী অবাক বিস্ময়ে দেখেছে!
একুশে ফেব্রুয়ারী মহান স্বাধীন দিবস!
ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে
মাতৃভাষার প্রাপ্তি!,
হাজারো মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে
শহীদ দিবস!
অশিক্ষিত, কালো টাকার মালিক যখন ,
ঠিকাদারী,টেন্ডারবাজী,দলবাজি,
ব্যাক্তি স্তুতি ভূলে যায়
সৃষ্টি কর্তা বলে কেউ আছে!
নিজেকে রাখে মুখোশের আড়ালে,
সৃষ্টি করে তাবেদারীর নতুন ইতিহাস!
সত্য তখন হারিয়ে যায় কালের গর্ভে।
তবে,ইতিহাস নষ্ট হয়,বিলীন হয়,
পরিবর্তিত হয় পেশী শক্তির কলমে,
ক্ষমতার তলোয়ারে,বন্ধুকের নলে
বিচারকের দাড়িপাল্লায়,
অন্ধ আইনের দাবার খেলায়।
বিধাতার খেলায় সত্য উম্মোচিত
হয়,হবে একদিন! প্রত্যাশা।
নষ্ট বিবেকহীন ক্ষমতার লেজুড়ে
চাটুকার মুক্ত হয়তো হবেনা,
ইতিহাসের কোন একটা অংশ
কোন একটা পাতা সাক্ষী দেবে সত্যের।
চেতনার ধ্বজ্জাধারীদের নির্লিপ্ততা
দলকানা,অন্ধ ভক্তি,পূজার পূন্যতায়
একদিন নষ্ট হবে, ভুমিকম্প হবে
ছারখার হবে শাষনের কল।
শোষিতের অভিশাপ নিস্ফলহলেও,
ইহ জগতের কান বন্ধ হলেও
পরজগতে নিশ্চই বিচার হবে।
বাকরুদ্ধ চিত্তে,অস্পৃশ্য চেতনায় বলি
ছি: চেতনা ছি:
ক্ষমা করো ভাষা শহীদ,ক্ষমা করো
হে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি,
আমি,আমরাই
তথাকথিত চেতনার ধ্বজ্জাধারী।
ছি: চেতনা ছি:
সিঙ্গাপুর
২৪-২-১০১৮ ইং

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



