জাহাঙ্গীর বাবু

বিজ্ঞানের জয়যাত্রায় বিশ্ব বিস্মিত!
আমিও।
স্যাটেলাইট মহাকাশে,
সমুদ্র তলদেশে সাবমেরিন।
জলে স্থলে সাইবার অপটিক
বিনা তারে কথা হয়,হাতের মুঠোয় পৃথিবী
প্রিয়জনের মুখ দেখছি, যেন আছি পাশাপাশি।
আনবিক শক্তি,পারমানবিক বোমা,
মানুষ প্রাণী মারার অস্ত্র।
হৃদয় হীন রোবট,প্লাস্টিকের প্রেমিকা
উড়োজাহাজ,রকেট, আকাশ চুম্বী ইমারত।
কি তৈরী করছেনা মানুষ।
মঙ্গল গ্রহে বাক্সের ভেতর থাকার চেষ্টায় চলছে কসরত!
কেউ কেউ সৃষ্টি কর্তাকে অস্বীকার করতে ছাড়েনা!
মানুষ,মানুষের মগজই নাকি সব!
চন্দ্র সুর্য্য,আকাশ,মেঘ,বৃষ্টি,পাহাড়,নদী,সমুদ্র,
জলরাশি,পৃথিবী,সৌরজগৎ আবর্তনে,বিবর্তনে,বানর,
শিম্পাঞ্জি,বনমানুষ থেকেই নাকি মানুষ!
মানুষের নাকি লেজ ও ছিলো!
বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় আমি বিস্মিত!
আরো বিস্মিত সব কিছু সৃষ্টির যে স্রষ্টা তাকে ভেবে।
যা তৈরী করে রেখেছেন,মানুষ আবিস্কার করে
শেষ করতে পারছেনা!
ছারপোকা,মশা,মাছি তৈরী করতে পারছেনা!
কীট পতঙ্গ,শেষ করতে পারছেনা!
মানুষ,প্রানী,ভুমন্ডল,পৃথিবী,মহাশুন্য,
এ জগৎ,ও জগৎ,সৌরজগৎ,দুনিয়া,আখেরাত
সে তো আল্লাহ র সৃষ্টি।
এক বীজে অন্য প্রানীর সৃষ্টি কিংবা টেষ্টটিউব বেবি,
শংকর জাতের প্রাণী,কলম জাত বৃক্ষ হচ্ছে,মানুষের হাতে।
পুরুষের দেহে নারী গর্ভ,নারীর অঙ্গে পুরুষাঙ্গ
সৃষ্ট প্রানী নিয়ে প্রানের সৃষ্টি!
কতো ওষুধ কত জটিল চিকিৎসার উদ্ভাবন.
কতো আবিস্কার এখনো বাকী!
রোগ নির্নয়ের কত সরঞ্জাম, এখনো চলছে গবেষনা
মরছে মানুষ,মরছে প্রাণী বিরল রোগে!
মানুষ তার ইচ্ছে মতো জন্ম নিতে পারছেনা,
জন্ম দিতে পারছেনা,যা কিছু আবিস্কার হচ্ছে মানুষের হাতে,
তাও আল্লাহর সৃষ্টি মানুষের হাতে।
তবে কেন,মানুষ্য কৃত্তিম সৃষ্টির অহংকার!
খোদার সৃষ্টি প্রকৃতি,প্রকৃতির রহস্য আজীবন অভেদ্য!
এই বেঁচে আছি,সেকেন্ডেই মৃত্যু হবেনা,কোন গ্যারান্টি নেই।
প্রতি নি:শ্বাসের সাথে আছে একজন নিরাকার,
তিনি আমার রব,সৃষ্টি কর্তা,যতক্ষন তিনি চাইবেন
ততক্ষন বেঁচে থাকব,কোন ঔষধে কাজ হবেনা।
যখন কোন রোগ নির্নয় হবেনা,নাম হবে বিরল রোগ।
আমি দেখি বিস্মিত হই,
যে ধর্ম পালন করতেন পিতা মাতা
তাই তার ধর্ম।
জন্ম কৃত্য, মৃত্যুর সৎকার,শেষ বিদায় সেই ধর্ম মতেই হয়।
বিবেক নামের মগজ, মস্তিস্ক যখন উদ্যম,উদ্দীপনায়
কোন কোন মগজে সেই ধর্মের বিপক্ষে বলা,
স্রষ্টার সৃষ্টি নিয়ে তামসা করা, কেমন জানি নষ্ট আধুনিকতা!
ইচ্ছে করে,বিশৃংখলা, অশান্তি সৃষ্টি করে কিছু লোক।
আমি মুসলিম,ইসলাম আমার ধর্ম
আমার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ,
হজরত মুহাম্মদ (স
পয়গম্বর,রাসুল,ম্যাসেঞ্জার।
আমার ধর্ম পালনে ত্রুটি থাকতে পারে
তাই বলে ধর্মের বিষদগার করার অধিকার কে দিয়েছে ?
আমি বিস্মিত হই, যখন দেখি আমার ধর্মে
মাজহাব,তরিকার নামে একে অপরের বিরুদ্ধে লেগে আছে
বিশ্ব মুসলিম বিভিন্ন স্থানে নির্যাতিত,মুসলিম মোড়লেরা হাসছে!
বিধর্মীরা আঙ্গুল তুলছে,তাদের তাবেদারীতে বাধ্য করছে!
ফেসবুকের কল্যানে গত বছর দশেক অনেক
পরিচিত, অপরিচিতদের দেখি,
ইসলাম ধর্ম নিয়ে নিজের খেয়াল খুশি মতো,
যা ইচ্ছা তাই বলছে!
অথচ,তাকে কিংবা তার কেউ মারা গেলে
তারা জানাজা হচ্ছে ইসলাম ধর্ম মতে!
আচ্ছা,ইসলামের বিরুদ্ধে বলার পুর্বে,
এটাও বলে দিলে হয়না,আমি মুসলিম নই,
আমার ওই ধর্ম,কিংবা আমার ধর্ম নেই
লাশ দাফন করোনা,শেয়াল কুকুরকে দিও,
আমাকে জানাজা পড়িয়ে মাটি দিও না!
আল্লাহ কতো মহান,
আমার মতো প্রানী যা খুশি বলছি,করছি,
তিনি সয়ে যাচ্ছেন।
এখনি শাস্তি দিচ্ছেন না আমায়।
আমি স্পর্ধা করেই যাচ্ছি!
আমি বিস্মিত, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায়,
আমি বিস্মিত আমার স্রষ্টার সৃষ্টির রহস্যে
আমি বিস্মিত আমার রবের করুণায়!
আমি বিস্মিত মানুষেরএতো উলম্ফ দেখে,
এতো আস্ফালন,উদ্যাত্ত,
মানুষ হয়ে মানুষ নিয়ে খেলছে মানুষ,
মানুষ মারছে মানুষ যত্রতত্র,যখন তখন!
মানুষ মারার মরনাস্ত্র তৈরীর প্রতিযোগীতায়
বিস্মিত আমি!
সিঙ্গাপুর

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
