রোজা না রেখে পাপ করেছি , ইফতার না করে পাপ করব নাকি?
"মোবারক হে মাহে রমজান " প্রবাসী বন্ধুরা আসুন সকলেই রোজা রাখার চেষ্টা করি"

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু।
প্রবাসে বসবাস কারী বিশেষ করে যারা শ্রমিক শ্রেনীর তাদের জন্য রোজা রাখা একটু কস্ট কর .যারা রোদে পুড়ে বৃষ্টি ভিজে কঠিন পরিশ্রম করেন তাদের জন্য বেশী কষ্টের . তবুও অনেকে রোজা রাখেন .যারা রাখছেন মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহ তাদের নিরাশ করবেন না।রমজান মাস অনেক পাপ কার্য থেকে মুসলমান দের দুরে রাখে।সৌদি আরবে মুসলিম দেশ হিসাবে কাজের সময় সীমা এই মাসে ৬ ঘন্টা .সেখান কাজের পরিবেশ এই মাসে থাকে খুবই শান্ত। নামাজ, ইফতার ,সেহরী সব কিছুতে উত্সবের আমেজ। বাংলাদেশে পরিবার পরিজন নিয়ে রোজা রাখার মজাটাই আলাদা।ছোট ছোট বাচ্চারা পর্যন্ত রোজা রাখার প্রতিযোগিতা করে। সিঙ্গাপুরে পরিবেশটা ভিন্ন। তবে এ দেশের সরকার ধর্ম পালনে কোন বাধা দেন না .সকল ধর্মের প্রতি সমান দৃষ্টি। নামাজ রোজা পালন সব নিজের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। আপনি চাইলে সব পালন করতে পারেন। অনেকে আছেন সম্ভম নয় বলে রোজা রাখেন না আসলে রোজা রাখা একটা অনুশীলন, চর্চা, প্র্যাকটিস এর মত .পরিবারে আল্লাদ করে ছোট বেলায় যাদের রোজা রাখার অভ্যাস বা শাসন করা হয় না তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে যাক না কেন রোজা রাখবে না .এই মাসে অনেকের গ্যাস্টিক আলসারের অজুহাত বেড়ে যায়। ফ্রি ইফতারীর মসজিদে থাকে প্রচন্ড ভিড় ,তারাবীর সময় খুঁজে পাওয়া যায় না .আমদের মুসলমান ভাইয়েরা অনেকে বলেন রোজা না রেখে পাপ করেছি ,ইফতার না করে পাপ করব নাকি। ইচ্ছা মত লাচ্ছি,সরবত,ইফতার তরী শুরু করেন আছরের সময় থেকে ইফতার পর্যন্ত। নামাজটা ও পরেন না .যাক সে সব ,আমার এই লেখার একটাই কারন ইফতারের জন্য যে মহা ব্যস্ততা , বিভিন্ন মসজিদে ইফতার নিয়ে ঠেলা ঠেলি , কিছু বাংলাদেশী মসজিদে সেচ্ছা সেবকের ইফতার বিতরনের সময়ের ব্যবহার এবং যারা ইফতার করতে যান, গত ২০১১ এবং ২০১২ সালে অন্গুলিয়া মসজিদে তাদের ইফতার নিয়ে আচরন দেখে মর্মাহ্ত হয়েছি, রমজান আমাদের সংযমী হতে শিক্ষা দেয় ,রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করা ,আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য .বাংলাদেশী হিসাবে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার পাশা পাশি বাংলাদেশের সুনাম বজায় রাখা আমদের দায়িত্ব, অনেকে কর্ম ক্ষেত্রে রোজা দারের সামনে খাবর খান এটাও ঠিক নয় .সিঙ্গাপুরের হোটেলের ব্যাপার ভিন্ন .ইফতারের দু এক মিনিট পূর্বেও রোজাদার যেখানে সামনে ইফতার নিয়ে অপেক্ষা করেন তার সামনে ,যিনি রোজা রাখেন নি তিনি একটু লজ্জিত না হয়ে বরং উল্লাসের সহিত খাবার গ্রহন করেন। এই ক্ষেত্রে মুসলিম বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট মালিকরা ঘন্টা দুয়েক এর জন্য ইচ্ছা করলে খাবার বিক্রি বন্ধ রাখতে পারেন। তা তারা করেন না কারন সে সময়কার শ দেড়শ ডলার না হলে যেনো দোকানের ভাড়া সহ নানা খরচ কভার করতে পারবেন না অনেক কে বলতে শুনা যায় ,ইফতারের সওয়াব আলাদা ?আসলেই কি কথাটি সঠিক ,নাকি বে রোজাদারীর উদর পূর্তির যুক্তি . । প্রবাসী বন্ধুরা আসুন সকলেই রোজা রাখার চেষ্টা করি। যারা রোজা রাখেন তাদের সেহরির সময় খোঁজ নেই তিনি খাবার খেতে পেরেছেন কি না , আপনি রোজা রাখুন আর নাই রাখুন রোজার পবিত্রতা রক্ষা করুন .দেশে হোক প্রবাসে হোক সর্ব ক্ষেত্রে ধর্মের নাম কুলষিত না করি .দেশের বদনাম না করি .আল্লাহ আমদের সহায় হোন .


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
