সোনাপুর টু ফেনী দ্রুতযান বাস এখন খুনী ঘাতক
জাহাঙ্গীর বাবু
একমাত্র বাস নাম তার দ্রুতযান।দ্রুতযান যেন মৃত্যু দূত আজরাইল। মানুষ নামের জানোয়ারদের মানুষের প্রতি মায়া,মমতা সন্মান বলে কিছু নেই। সি এন জি ছাড়া আর কোন যানবাহন নেই যারা চৌমুহানী,সেনবাগ,ফেনীতে সকাল,সন্ধ্যা যাতায়াত করে।
সরকারী, বেসরকারী চাকুরীজিবি,মধ্যবিত্ত,নিন্ম মধ্যবিত্তের একমাত্র বাহনে পরিনত হয়েছে দ্রুত্যান বাস।ইচ্ছে মতো লোক উঠানো নামানোতে যে সময় লস তা পুরনের জন্য উড়োজাহাজের মতো রাস্তায় বাস উড়ায়।মৃত্যুর সাথে যাতায়াত যাত্রীদের।ভাড়ার জামেলা প্রতিনিয়ত।বাস মালিক সম্ভবত নোয়াখালীর একচ্ছত্র অধিপতি।দ্রুত যানের মোকাবেলায় কেউ নেই।প্রতি নিয়তই ঘটাচ্ছে দুর্ঘটনা।
জিম্মি যাত্রীরা। অনিচ্ছায় যাত্রীদের দ্রুতযান বাস একমাত্র অবলম্বন। যাত্রী নামা শেষ না হতেই দেয় টান।যাত্রীরা পড়ে যায়,আহত হয়।এরা কারো তোয়াক্কা না করে বীর দর্পে,বুক ফুলিয়ে সোনাপুর টু ফেনী মাস্তানী করছে।
গত পাঁচ মাসে আমি বহুবার প্রতিবাদ করেছি,বিশেষ করে চৌমুহানী বাজার পার হবার পর থেকে ফেনী মহিপাল দ্রুতযান যেন মৃত্যু দূত আজরাইল। নিরাপদ সড়কের দাবীর উল্লেখ যোগ্য এক দাবী নিরাপদ গাড়ি,নিরাপদ ড্রাইভার,সেই সাথে সুপারভাইজার,কন্ডাকটর এর ব্যাবহার।
এক এলাকার যে কোন বাহন অন্য এলাকায় প্রবেশ করলেই টোল আদায় হয়।এই টোল থেকে বাঁচতে গাড়ি দ্রুত চালায়।প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকার ইশতেহারে নিরাপদ সড়ক,নিরাপদ গাড়ি,নিরাপদ ড্রাইভার নিশ্চিত করার আবেদন থাকা দরকার।বাংলাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবীর ইস্যু নিয়ে টানাটানি হয়।সব কিছুর উর্ধে এসে যাত্রা পথ নিরাপদ হোক সে কামানাই করছি।এর পুর্বে ঢাকা সোনাপুর রুটে হিমাচল,একুশে নিয়ে লিখেছি কোন ফল হয়নি।
আজ ১৯-১১-২০১৮ আমার স্ত্রী কাদরা,সেনবাগ প্রাথমিকের শিক্ষক দ্রুতযান বাস থেকে নামার সময় ড্রাইভারের অযাচিত হ্যাচকা টানে আহত হয়েছেন।
সেনবাগ,নোয়াখালী
সিঙ্গাপুর প্রবাসী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


