
নির্বাচন কমিশনের স্ক্যানিং বিশ্ব সেরা -ঃ
জাহাঙ্গীর বাবু
বেঁচে গেলো বাবর আলী খায়নি ধরা।যায়নি নির্বাচনে। যে কোন দলে যাওয়া যদিও ব্যাপারনা,তবে স্বতন্ত্র করলে কি আর ক্ষতি হতো।! কি এক তৃতীয়াংশ সাক্ষর লাগতো,ব্যাংক ভরা টাকা লাগতো। ওম,ঠিক কথা,হক কথা।
আশ্চর্য্য! নিজের কি বিল বাকী নেই, তাও কয়েক জন জানেনা।দেশের সেবা করবে কচু পাতা। নির্বাচন কমিশনের স্ক্যানিং এ কারো ধরা খায়,কারো খায়না। কি আজব তাই না। কেউ ঘর জামাই,কেউ বউয়ের গাড়িতে চড়ে।কারো বাড়ী নেই,ঘর নেই,খাট, পালং চেয়ার তাও নেই।কত নিঃস্ব কতিপয় হেভী ওয়েট।
বাবর আলী মাত্র তিহাত্তর কেজি। সুগার আর কোলষ্টরেল নিয়ে কোন মতো বেঁচে থাকা আর সাথে দুনিয়ার পেরেশানী।দেশে সেটেল হবার অদম্য বাসনা না হলে বুঝতোইনা প্রবাসীদের এ দেশে কাজ পাওয়া কত কঠিন।
ক্রেডিট কার্ড নেই,বিদ্যুৎ,গ্যাস বিল বাকী নেই,কোন ঋণ নেয়ার সুযোগ হয়নি তার।
মুদি দোকান,ঔষধের দোকান,বাড়ী ভাড়া,আর বন্ধুদের কাছে কিছু ঋণ আছে। ভাগ্য ভালো স্বতন্ত্র নির্বাচনেও যায়নি। গেলে চিরুনী অভিযানে পুরাই ধরা খেত।
দেশ বিদেশে যাদের কাছে পাওনা তারাও দেবার নাম নেই,চাইতেও পারেনা। চারদিকে কতো পাওনাদার।সততা,স্বচ্ছতার উপহার।ভালবাসার ঋণ খেলাপী বটে।সাথে মায়া মমতার।
বাবর আলী কি হবে এবার, আর কতো নাটক,প্রহসন দেখার বাকীরে পাগলা।
আপাতত নিরংকুশ স্বচ্চতায় সব ফকফকা মজার ব্যাপার আমজনতা এখন বোকা।নীরব দর্শক।বাবর আলীর নিত্য নতুন পেরেশানী,হুদাই পেরেশানী।
৩-১২-২০১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

