somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জাহিদ শাওন
চলমান জীবনদৌড়ের গল্পে লেখার মত স্থির কিছুর অপেক্ষায়

পরিবারতন্ত্রের আতংকে ডাকসু সমাচার

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


শেষ দুইটা ডাকসু নির্বাচনের কোনটাই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচিত কোন সরকারের আমলে হয় নাই। দুইটাই হইছিলো স্বৈরাচারের আমলে। এরশাদও পরপর দুইবার ডাকসু নির্বাচন দেয়। কিন্তু ৯১ এর গণতান্ত্রিক সরকার থেকে শুরু করে, পরে কোন সরকারই আর ডাকসু দেয় নাই। শেখ হাসিনা যখন স্বৈরাচারী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করে তখনই দিয়েছিলো, যেটা বলা যায় খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনার মোট শাসনকালে অনুষ্ঠিত একমাত্র ডাকসু নির্বাচন।

তো এনারা কেউই কেন ডাকসু দেয় নাই? কেন স্বৈরাচার এরশাদের আমলেই ছিল শেষ ডাকসু ইলেকশন?
পরিবার কেন্দ্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা জারি রাখাই এর অন্যতম কারণ। যাতে যাদেরকে তারা ফকিন্নির বাচ্চা বলে গাল পাড়ে তারা নেতা হিসেবে উঠে না আসে। এক কথায় বললে রাষ্ট্র যাতে নতুন শিক্ষিত নেতৃত্ব দেখতে না পায়, যারা কিনা পরিবার তন্ত্রের বাইরে নতুন ক্ষমতা বলয় তৈরী করে ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

ডাকসুতে কম্পিট করা প্রত্যেকে যারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সেন্ট্রালেও ছিল সবাই বলা চলে যে যার হায়গায় জাদরেল একটা অবস্থান নিয়েই ছিলো এবং এখনো আছে।

সব বাদ। হাসিনাশাহীর ফ্যাসিস্ট আমলে হওয়া নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করে উঠে আসা নুরু, আখতার, নাহিদ হইয়া উঠছে একেকটা ক্ষমতার নাম। যারা হাসিনার ফ্যাসিজ রাজত্বই গায়েব করে দিয়েছে।
সেই হিসেবে প্রতিনিয়ত ডাকসু হইতে থাকলে প্রতিনিয়ত শিক্ষিত নেতা সামনে উঠে আসবে।

এবারের ডাকসু ইলেকশন নিয়ে অনেক নাটকের পরে ডেট দিয়ে আবার নাটক। যদি এবার ডাকসু নির্বাচন হয়েই যায় তবে পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন কবে হতে পারে? নাকি ইতিহাসের সিলসিলা মেনে এটা আর হতে দেয়াই হবে না? দুঃখজনক ভাবে যেই সিলসিলার শুরু হইছিলো ৯১ এ ক্ষমতায় আসা গণতান্ত্রিক সরকারের হাত ধরে!

যেহেতু লং টার্ম ভাবে সমগ্র রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের কোন আভাস দেখা যাচ্ছে না, সেহেতু আবার ফ্যাসিজ রেজিম তৈয়ার হওয়ার সম্ভাবনা ফেলে দেয়া যায় না। পার্থক্য শুধু, জনগণ ঠিক কবে ধরতে পারবে যে রাষ্ট্র আবার ফ্যাসিবাদের ফাঁদে পড়েছে এবং ঠিক কখন থেকে জনগণ সেই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বুকে লাথি মারা শুরু করবে!
সেই হিসেবে কি আরেকটা ডাকসু নির্বাচন কি আরেকটা ফ্যাসিবাদ কায়েমের পর আসবে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জাতীয় নির্বাচনের মত ইশতেহার ঘোষণা দেখতে সুন্দর হইলেও অনেক ক্ষেত্রে হাস্যকর। প্রশাসনের দ্বায়িত্ব ছাত্রদের কাঁধে তোলা হইলো একটা গুণে ধরা সিস্টেম এস্টাবলিশ করা এবং সেটা টিকিয়ে রাখা।
ঢাবির ছাত্রছাত্রীদের সম্মিলিত রাজনীতি একটাই হোক, সেটা হলো যে করেই হোক ডাকসুর ধারা চলমান রাখা।

শেষ দুইটা ডাকসু নির্বাচনের কোনটাই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচিত কোন সরকারের আমলে হয় নাই। দুইটাই হইছিলো স্বৈরাচারের আমলে। এরশাদও পরপর দুইবার ডাকসু নির্বাচন দেয়। কিন্তু ৯১ এর গণতান্ত্রিক সরকার থেকে শুরু করে, পরে কোন সরকারই আর ডাকসু দেয় নাই। শেখ হাসিনা যখন স্বৈরাচারী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করে তখনই দিয়েছিলো, যেটা বলা যায় খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনার মোট শাসনকালে অনুষ্ঠিত একমাত্র ডাকসু নির্বাচন।

তো এনারা কেউই কেন ডাকসু দেয় নাই? কেন স্বৈরাচার এরশাদের আমলেই ছিল শেষ ডাকসু ইলেকশন?
পরিবার কেন্দ্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা জারি রাখাই এর অন্যতম কারণ। যাতে যাদেরকে তারা ফকিন্নির বাচ্চা বলে গাল পাড়ে তারা নেতা হিসেবে উঠে না আসে। এক কথায় বললে রাষ্ট্র যাতে নতুন শিক্ষিত নেতৃত্ব দেখতে না পায়, যারা কিনা পরিবার তন্ত্রের বাইরে নতুন ক্ষমতা বলয় তৈরী করে ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

ডাকসুতে কম্পিট করা প্রত্যেকে যারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সেন্ট্রালেও ছিল সবাই বলা চলে যে যার হায়গায় জাদরেল একটা অবস্থান নিয়েই ছিলো এবং এখনো আছে।

সব বাদ। হাসিনাশাহীর ফ্যাসিস্ট আমলে হওয়া নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করে উঠে আসা নুরু, আখতার, নাহিদ হইয়া উঠছে একেকটা ক্ষমতার নাম। যারা হাসিনার ফ্যাসিজ রাজত্বই গায়েব করে দিয়েছে।
সেই হিসেবে প্রতিনিয়ত ডাকসু হইতে থাকলে প্রতিনিয়ত শিক্ষিত নেতা সামনে উঠে আসবে।

এবারের ডাকসু ইলেকশন নিয়ে অনেক নাটকের পরে ডেট দিয়ে আবার নাটক। যদি এবার ডাকসু নির্বাচন হয়েই যায় তবে পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন কবে হতে পারে? নাকি ইতিহাসের সিলসিলা মেনে এটা আর হতে দেয়াই হবে না? দুঃখজনক ভাবে যেই সিলসিলার শুরু হইছিলো ৯১ এ ক্ষমতায় আসা গণতান্ত্রিক সরকারের হাত ধরে!

যেহেতু লং টার্ম ভাবে সমগ্র রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের কোন আভাস দেখা যাচ্ছে না, সেহেতু আবার ফ্যাসিজ রেজিম তৈয়ার হওয়ার সম্ভাবনা ফেলে দেয়া যায় না। পার্থক্য শুধু, জনগণ ঠিক কবে ধরতে পারবে যে রাষ্ট্র আবার ফ্যাসিবাদের ফাঁদে পড়েছে এবং ঠিক কখন থেকে জনগণ সেই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বুকে লাথি মারা শুরু করবে!
সেই হিসেবে কি আরেকটা ডাকসু নির্বাচন কি আরেকটা ফ্যাসিবাদ কায়েমের পর আসবে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জাতীয় নির্বাচনের মত ইশতেহার ঘোষণা দেখতে সুন্দর হইলেও অনেক ক্ষেত্রে হাস্যকর। প্রশাসনের দ্বায়িত্ব ছাত্রদের কাঁধে তোলা হইলো একটা গুণে ধরা সিস্টেম এস্টাবলিশ করা এবং সেটা টিকিয়ে রাখা।
ঢাবির ছাত্রছাত্রীদের সম্মিলিত রাজনীতি একটাই হোক, সেটা হলো যে করেই হোক ডাকসুর ধারা চলমান রাখা।

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:১০
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরীচকাি ও নক্ষত্র

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১০


মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×