আমেরিকার নির্বাচন শেষ। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হলেন। প্রথম দিন এসেছেন হোয়াইট হাউসে। সভাসদেরা হাজির। ভাইস প্রেসিডেন্ট জিজ্ঞেস করছেন, আমাদের প্রথম পদক্ষেপ কি হতে পারে?
জবাবে ট্রাম্প বলছেন, ‘আই এস আই এস কে ধ্বংস করে দিন’।
সবাই নিশ্চুপ। ট্রাম্প রেগে গিয়ে জিজ্ঞেস করছেন, কি ব্যাপার কেউ কথা বলছেন না কেনো?
ফরেইন মিনিস্টার বলছেন, ‘মাননীয় প্রেসিডেন্ট, আই এস আই এস আমরাই বানিয়েছিলাম ইরাকে কাজে লাগানোর জন্য, এখন কিছু আর করার নেই'।
ট্রাম্প এবার বললেন, তবে তালেবানদের মেরে ফেলেন।
আবারও একই উত্তর পেলেন, 'তালেবান আমরাই বানিয়েছি, এখন কিছু করার নেই। ওরা নিজেরা নিজেরাই মারামারি করে একদিন মরে যাবে'।
আবার সবাই নিরব, আবার ট্রাম্পের হুঙ্কার, ‘তবে কোরিয়াতে আক্রমণ চালান। ওদের বেশি বাড় বেড়েছে’।
আবারও ফরেইন মিনিস্টার উত্তর দিলেন, ‘মাননীয় প্রেসিডেন্ট, আমরা কোরিয়া আক্রমণ করতে পারি না। এই মুহুর্তে একটা বড় অস্ত্রের ডিল হচ্ছে ওদের সাথে’।
এ পর্যায়ে ট্রাম্পের ধৈর্য ভেঙ্গে গেলো, চিৎকার করে উঠলেন আর বললেন, ‘তবে কিসের জন্য হোয়াইট হাউসে এলাম, কিছুই যদি না করতে পারি’!
এফ বি আই আর সি আই এ চিফ আসলেন হোয়াইট হাউসে এ বিতন্ডার মাঝে। প্রেসিডেন্টের রুমে ডাকা হলো তাদের। ট্রাম্প জিজ্ঞেস করলেন, কি করা যায় এবার আপনারা বলেন?
সি আই এ আর এফ বি আই চিফ বললেন, ‘মাননীয় প্রেসিডেন্ট, আমরা একটা বক্তব্য তৈরি করে এনেছি, বিশ্বের উদ্দেশ্যে ভাষণ। আপনি এটিই পড়ে শোনান আর মাঝে মধ্যে আপনার চুটকিগুলো বলবেন আর বলবেন, আমেরিকা ইজ গ্রেট'।
ট্রাম্প খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, আচ্ছা যদি আমার বদলে হিলারি আসতো তবে সে কি করতো?
সবাই এ ওর মুখ চাওয়া চাওয়ি করলেন কতক্ষণ, তারপর এফ বি আই চিফ বললেন, ‘মাননীয় প্রেসিডেন্ট, এখানে যারাই প্রেসিডেন্ট হয়ে আসেন, সবার জন্যই একই নিয়ম। যা চলছে তা চলতে দিন, নতুন কিছু সময় মতো জেনে যাবেন'।
এই হচ্ছে আমেরিকা, আপনারা কি এর বেশি কিছু আশা করেন??
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই নভেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



