somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্যাংকের চাকুরী বলে কথা

২৩ শে জুন, ২০১৭ রাত ৯:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৮ থেকে ২২ জুন, ২০১৭ রমজানের মাসের শেষ কার্যক (ওয়ার্কিং) সপ্তাহ, সুতারাং কাজের প্রচুর প্রেসার থাকবে, মেনে নিলাম। তাই বলে প্রত্যেকদিন অফিসে ইফতার করতে হবে এবং ব্রাঞ্চ সাইন আউট হতে হতে রাত ৯/১০ টা বেজে যাবে, এটাতো মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে, যা হোক তাও মেনে নিলাম।

রমজানের শেষ ওয়ার্কিং সপ্তাহ শেষ করে, ভাবছেন - বিশ্রাম নিবেন, লম্বা ছুটি - শুক্র ও শনিবার সপ্তাহের ছুটি, রবি থেকে মঙ্গলবার ঈদের ছুটি, এরপর যদি দুইদিন ছুটি নেয়া যায় তাহলে একবারে শ্রান্তি বিনোদনের মতো লম্বা ৯ দিনের ছুটি। আপনাদের সব আশায় গুড়ে বালি। চাকুরী যখন করছেন অার্থিক প্রতিষ্ঠানে, তখন জনগনের আর্থিক নিরাপত্তা নিয়েই আপনাকে ভাবতে হবে, নিজেকে নিয়ে নয়।

এখন আসুন ছুটিকে কিভাবে কর্মক্ষমে পরিনত করতে পারি। কর্মব্যস্ত একটা সপ্তাহ শেষে হঠাৎ ঘোষন এলো শুক্রবার ব্যাংক সীমিত আকারে এবং শনিবার পূর্ণদিবস ব্যাংক খোলা থাকবে। রবি থেকে মঙ্গলবার ঈদের ছুটি তিনদিন, এর মাঝেও কিছু ব্যাংকারের উপর দায়িত্ব পড়বে এই বন্ধের দিনগুলোতে ব্যাংকের নিরাপত্তার বিষয়গুলো দেখভাল করার, সুতারাং তাদের জন্য এই দিনগুলোতে ছুটি নাই। এরপর যথারীতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার সপ্তাহিক স্বাভাবিক লেনদেনের দিন।

ঘটনার পরিসমাপ্তি এখনও নয়, পরের দিন সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার কিন্তু আপনার ছুটি নাই। কারন শুক্রবার অর্থবছরের শেষ কর্মদিবস, সুতারাং রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য আপনাকে এই দিনও অফিসে আসতে হবে। তারপর থাকলো শনিবার, সপ্তাহের আর এক ছুটির দিন, একটু তো বিশ্রাম নিতে পারেন। বিধি বাম - এই দিন ১লা জুলাই, ব্যাংক হলিডে। শব্দটা হলিডে কিন্তু কাজ করতে হয় ওয়ার্কিং ডে এর চেয়ে বেশী, যদিও বর্তমানে ওনলাইন সিস্টেম আসার কারনে ব্যাংক হলিডের কাজ কিছুটা কমেছে।

এরপর পরের দিন সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রবিবার, যেদিন আপনাকে পূর্ণ উদ্দীপনা নিয়ে গ্রাহকের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে কারন অনেকদিন ছুটি(!!!!) কাটিয়ে আপনি এসেছে অফিস করতে। ঠিক সেই মূহুর্তে আপনার মনে পড়বে, নচিকেতার একটা গানের কথা - দেখে যা, যা অনির্বান, কি সুখে রয়েছে প্রান।

তথাপি আমার প্রস্তাব রয়েছে - ব্যাংকারদের মানুষ নয়, যন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হোক। যন্ত্রের যেমন কোন আবেগ অনুভূতি নাই, সুতারাং যারা ব্যাংকে চাকুরী করে তাদেরও এতদসংক্রান্ত কিছু থাকতে নেই।

২৩.০৬.২০১৭, ঢাকা।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১৭ রাত ৯:১১
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভ্যাস বিষয়ে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

অভ্যাস আসলে কীভাবে তৈরি হয়?

আমরা অনেক সময় ভাবি, কোনো একটা অভ্যাস তৈরি করতে হলে অনেক বেশি Willpower দরকার।

আসলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম।

আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘণ্টা বই পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×